Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: November 26, 2022In: Hadith

    সফরের নামাজ

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on November 26, 2022 at 7:55 pm

    মূলত কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরে সফরের নিয়তে বের হয়ে নিজ শহর বা গ্রাম পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে সে মুসাফির হয়ে যায়। (জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪৩৬) মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত (কসর) পড়বেন। এই সংক্ষেপে আল্লাহপ্রদত্ত কল্যাণ রয়েছে। কোরআনে বলা হয়Read more

    মূলত কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরে সফরের নিয়তে বের হয়ে নিজ শহর বা গ্রাম পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে সে মুসাফির হয়ে যায়। (জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪৩৬)

    মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত (কসর) পড়বেন। এই সংক্ষেপে আল্লাহপ্রদত্ত কল্যাণ রয়েছে।

    কোরআনে বলা হয়েছে— ‘তোমরা যখন জমিনে সফর করবে, তখন তোমাদের জন্য নামাজের কসর করায় কোনো আপত্তি নেই। (সুরা নিসা, আয়াত: ১০১)

    মুসাফিরের নামাজের নিয়ম

    মুসাফির চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ একাকী পড়লে বা মুসাফির ইমামের পেছনে আদায় করলে, কসর করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পূর্ণ নামাজ পড়া ঠিক নয়।

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা তোমাদের নবীর মুখে নামাজকে মুকিম অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত ফরজ করেছেন।’ (মুসলিম, হাদিস: ৬৮৭)

    মুসাফির ব্যক্তি সফর অবস্থায় ইচ্ছাকৃত চার রাকাত নামাজ পূর্ণ করলে গুনাহ হবে (তবে মুকিম ইমামের পেছনে হলে অসুবিধা নেই)। এ ক্ষেত্রে নামাজ পুনরায় পড়বে।

    আর যদি ভুলক্রমে চার রাকাত শুরু করে দেয় এবং প্রথম বৈঠক করে থাকে, তা হলে সিজদা সাহু করে নিলে ফরজ নামাজ আদায় হয়ে যাবে। আর যদি প্রথম বৈঠক না করে থাকে, তা হলে ফরজ আদায় হবে না, আবারও পড়তে হবে।(বাদায়েউস সানায়ে: ১/৯১)

    মুকিম ইমামের পেছনে নামাজ

    মুসাফির ব্যক্তি মুকিম ইমামের পেছনে ইকতিদা করলে সে ইমামের অনুসরণে পূর্ণ নামাজই আদায় করবে। (আল মাবসুত, সারাখসি : ১/২৪৩)

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘মুসাফির যদি মুকিমদের সঙ্গে নামাজে শরিক হয়, তবে সে যেন তাদের মতো (চার রাকাত) নামাজ পড়ে।’ (ইবনে আবি শাইবা: ৩৮৪৯)

    সফর অবস্থায় নামাজ কসর করা সম্পর্কে অনেক হাদিস রয়েছে। এসব হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) সফর অবস্থায় সর্বদা নামাজ কসর পড়েছেন। আর মাগরিব, বিতর ও ফজরের নামাজ পূর্ণই আদায় করতে হবে, এগুলোর কসর নেই।

    সুন্নত পড়ার বিধান

    মুসাফির ব্যক্তির জন্য চলন্ত অবস্থায় বা তাড়াহুড়া থাকলে ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্যান্য সুন্নাতে মুয়াক্কাদা না পড়ার সুযোগ রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ও স্থির অবস্থায় সুন্নত নামাজ আদায় করবে। (ইলাউস্ সুনান: ৭/১৯১, রদ্দুল মুহতার : ১/৭৪২)

    মূলত সফর অবস্থায় তাড়াহুড়া ও ব্যস্ততার সময় সুন্নত না পড়ার অবকাশ আছে। আর গন্তব্যে পৌঁছার পর সুন্নত নামাজ পড়া উত্তম। সুন্নত পড়লে পুরোটাই পড়বে। কেননা সুন্নত নামাজের কসর হয় না।

    See less
      • 7
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: November 26, 2022In: Basic Islam

    Will god forgive me if I’m repeating my sin?

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on November 26, 2022 at 7:53 pm

    This Hadith will answer your question.. Narrated Abu Huraira: I heard the Prophet saying, “If somebody commits a sin and then says, ‘O my Lord! I have sinned, please forgive me!’ and his Lord says, ‘My slave has known that he has a Lord who forgives sins and punishes for it, I therefore have forgiveRead more

    This Hadith will answer your question..

    Narrated Abu Huraira: I heard the Prophet saying, “If somebody commits a sin and then says, ‘O my Lord! I have sinned, please forgive me!’ and his Lord says, ‘My slave has known that he has a Lord who forgives sins and punishes for it, I therefore have forgiven my slave (his sins).’ Then he remains without committing any sin for a while and then again commits another sin and says, ‘O my Lord, I have committed another sin, please forgive me,’ and Allah says, ‘My slave has known that he has a Lord who forgives sins and punishes for it, I therefore have forgiven my slave (his sin). Then he remains without committing any other sin for a while and then commits another sin (for the third time) and says, ‘O my Lord, I have committed another sin, please forgive me,’ and Allah says, ‘My slave has known that he has a Lord Who forgives sins and punishes for it I therefore have forgiven My slave (his sin), he can do whatever he likes.” (Al-Bukhari, Book 93, Hadith 598)

    See less
      • 18
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: October 23, 2022In: Basic Islam

    What is the most beneficial dua that you can pray for all situations

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on October 23, 2022 at 3:39 pm

    https://www.youtube.com/watch?v=L0jxJhpHn4Q

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: October 23, 2022In: Basic Islam

    জুম্মার নামাযের আগে কয়রাকাত সুন্নাত পরতে হয়? হাদিস সহ বল্লে ভালো হবে

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on October 23, 2022 at 3:37 pm

    জুমার নামাজের আগে চার রাকাত সুন্নত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত জুমার নামাজের দ্বিতীয় আজানের আগে চার রাকাত সুন্নত নামাজ পড়াকে ‘কাবলাল জুমা’ বলে। এটি ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস হাদিস ও আসার তথা সাহাবা ও তাবেয়িনদের মুতাওয়াতির (ধারাবাহিক কর্মধারা ) আমল দ্বারা প্রমাণিত।  নিম্নে এবিষয়ে সংক্ষিপ্ত দালিলিক বিশRead more

    জুমার নামাজের আগে চার রাকাত সুন্নত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত

    জুমার নামাজের দ্বিতীয় আজানের আগে চার রাকাত সুন্নত নামাজ পড়াকে ‘কাবলাল জুমা’ বলে। এটি ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস হাদিস ও আসার তথা সাহাবা ও তাবেয়িনদের মুতাওয়াতির (ধারাবাহিক কর্মধারা ) আমল দ্বারা প্রমাণিত।  নিম্নে এবিষয়ে সংক্ষিপ্ত দালিলিক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।

    জুমার পূর্বে নবীজির নামাজ

    জুমার দ্বিতীয় আজানের আগে রাসুলুল্লাহ (সা.) অধিক নামাজ পড়তেন এবং সাহাবাদেরকে এর প্রতি উৎসাহ দিতেন৷তবে তিনি নফল পড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খুতবার পূর্বে চার রাকাত এবং নামাজ শেষ করে চার রাকাত সুন্নত পড়তেন।

    আলি (রা.) থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ (সা.)  জুমার পূর্বে চার রাকাত এবং পরে চার রাকাত সুন্নত পড়তেন। (আল মুজামুল আওসাত,হাদিস: ১৬১৭)

    উপরোক্ত সনদ বা বর্ণনার সকল বর্ণনাকারী পরিচিত, প্রসিদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য। তবে কেউ কেউ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আস সাহমির উপর আপত্তি তুলার চেষ্টা করেছেন৷ কিন্তু তাঁর ব্যাপারে হাদিসের ইমামদের ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত হলো তিনি ছিকাহ তথা বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য৷ তাঁর বর্ণনাসমূহ পরীক্ষা করার পর ইমাম ইবনে আদি (রহ.) বলেন,‘আমার নিকট তার বর্ণনায় কোন অসুবিধা নেই। ’ (আল কামিল ৬/১৯১-১৯২)

    আর হাদিসের ইমামগণ এ ধরনের মন্তব্য ওইসব রাবি সম্পর্কে করেন যাদের বর্ণনা ‘হাসান’ পর্যায়ের হয়ে থাকে। তাছাড়া ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ.) গ্রহণযোগ্য বর্ণনাকারীদের জীবনী সংক্রান্ত একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা ‘কিতাবুস ছিকাত’ নামে প্রসিদ্ধ। সেখানেও তিনি আব্দুর রহমান আস সাহমির জীবনী উল্লেখ করেছেন। (কিতাবুস ছিকাত ৯/৭২)

    মোটকথা, এই হাদিসের সকল বর্ণনাকারী ছিকাহ বা বিশ্বস্ত৷ তাইতো মোল্লা আলি কারি (রহ.) সনদের বিচারে হাদিসের মান সম্পর্কে বলেন, ‘হাদিসটি জায়্যিদ তথা হাসান সূত্রে বর্ণিত। যেমনটি ইমাম জাইনুদ্দীন  ইরাকি (রহ.) বলেছেন, রাসুল (সা.) জুমার পূর্বে চার রাকাত পড়েছেন৷’ (মিরকাত : ২/১১২)

    এ প্রসঙ্গে ইবনে আব্বাস (রা.) থেকেও একটি হাদিস বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) জুমার পূর্বে এবং পরে চার রাকাত সুন্নত পড়েছেন। (আল মুজামুল কাবির, হাদিস : ১২৬৭৪)

    সাহাবি ও তাবেয়িনদের কর্মধারা

    আবু আব্দুর রহমান আসসুলামি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) আমাদেরকে জুমার পূর্বে চার রাকাত এবং পরে চার রকাত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক,হাদিস: ৫৫২৫)

    হাদিসটির সনদ সম্পর্কে হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, ‘উক্ত হাদিসের বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত এবং গ্রহণযোগ্য। (আদ দিরায়াহ ১/১১৩)

    ইমাম তিরমিজি (রহ.) বলেন, সুফিয়ান সাওরি ও আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক (রহ.) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর মতের অনুসরণ করেছেন। (তিরমিজি,হাদিস: ৫২৩)

    আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত,তিনি জুমার পূর্বে চার রাকাত পড়তেন। আর এ চার রাকাতের মাঝে কোন সালাম ফিরাতেন না। অতঃপর জুমা শেষে দুই রাকাত এবং তারপরে চার রাকাত পড়তেন। (শরহু মাআনিল আসার,হাদিস: ১৯৬৫)

    হাদিসটি সহিহ৷ কারণ আলি ইবনে মাবাদ ও ফাহাদ ব্যতীত এ হাদিসের সব রাবীগণ বুখারি-মুসলিমের বর্ণনাকারী। ইবরাহিম নাখয়ি (রহ.) বলেন, তাঁরা (সাহাবায়ে কেরাম) জুমার পূর্বে চার রাকাত আদায় করতেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা,হাদিস: ৫৪০৫)

    এই আছারে ‘তাঁরা’ শব্দটি দ্বারা সাহাবায়ে কেরামই উদ্দেশ্য। কারণ, ইবরাহিম নাখয়ি (রহ.) মধ্যম বয়সের তাবেয়ি ছিলেন। তাঁর জীবদ্দশায় সাহাবায়ে কেরামের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। সে যুগে কোনো আমলের দলিল দিতে গেলে সাহাবায়ে কেরামের আমলকেই পেশ করা হতো। আর এই নস দ্বারা স্পষ্ট জানা যায় সাহাবায়ে কেরাম জুমার আগে চার রাকাত নামাজ পড়তেন। আর ইবাদাত সংক্রান্ত বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামের আমল বা মন্তব্য ‘মারফু’ তথা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আমল হিসেবে ধর্তব্য।

    সুতারাং উপরোক্ত মারফু, মাউকুফ, মাকতু হাদিস ও আসার দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, জুমার আগে চার রাকাত নামাজ সুন্নত এবং তা রাসুলুল্লাহ (সা.), সাহাবা ও তাবেয়িসহ সব যুগের উলামায়ে কেরামের ওপরই আমল করতেন।

    কাবলাল জুমা নামাজ সুন্নতে মুআক্কাদা

    উম্মাহর অধিকাংশ ইমামদের মতে জুমার নামাজের আগের সুন্নত হলো সুন্নতে মুআক্কাদা। আর ইমামগণ নসের আলোকেই সুন্নতে মুয়াক্কাদা বলেছেন। কারণ নফল নামাজের বিষয়ে উৎসাহ দেওয়া যায়, আদেশ দেওয়া যায় না। আদেশ করার অর্থ, এই নামাজ অন্তত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যেমন পরের চার রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা।

    এবিষয়ে ইমাম ইবনে রজব হাম্ভলি ( রহ.) বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।  তিনি বলেন, এই বিষয়ে ইজমা আছে যে, জুমার আগে সূর্য ঢলার পর নামাজ পড়া উত্তম আমল। তবে ইমামরা এই বিষয়ে মতানৈক্য করেছেন যে, জুমার আগের সুন্নত জোহরের আগের চার রাকাতের মতো মুয়াক্কাদা, নাকি আছরের আগের সুন্নতের মতো মুস্তাহাব?

    এক্ষেত্রে অধিকাংশ ইমামদের মত হলো, জুমার আগের সুন্নত হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদা বা রাতিবা। এটি ইমাম আওজায়ি, সুফিয়ান ছাওরি, ইমাম আবু হানিফা এবং তাঁর ছাত্রদের কথা। ইমাম আহমদ ও ইমাম শাফেয়ি (রহ.)- এর মতও এমন। (ফাতহুল বারি ৫/৫৪২-৫৪৪)

    সুতরাং বিশুদ্ধ ও শক্তিশালী হাদিস ও আসার দ্বারা প্রমাণিত, ইসলামী শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাহকে হাদিসে নাই বলা বা তা সুন্নতে মুয়াক্কাদা হওয়াকে সরাসরি অস্বীকার, তা চরম অন্যায় ও বিভ্রান্তকর৷

    আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন ৷

     

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: September 27, 2022In: Hadith

    মা জীবিত অবস্থায় উনার সাথে রাগারাগি করে কথা বলতাম এখন তিনি মারা গেছে এখন আমি কিভাবে ক্ষমা পেতে পারি

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:03 am

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়। রাসূল (সা.) তিRead more

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়।

    রাসূল (সা.) তিনটি কবিরা গুনাহের কথা বলেছেন, যেগুলো বড় বড় কবিরা গুনাহ। যেগুলো কঠিন কবিরা গুনাহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে একটা হচ্ছে, মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা, তাঁদের অবাধ্য হওয়া। এই কাজটি আসলেই অত্যন্ত গর্হিত কাজ। তাই যাদের এমনটি করা হয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত কোনোভাবেই তাঁদের কাছ থেকে ক্ষমা নেওয়ার সুযোগ হয়নি, তাদের করণীয় হচ্ছে দুটি।

    প্রথমত, প্রতিটি অপরাধ আল্লাহর বিধান লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেহেতু এটা আল্লাহর বিধান, তাই এখানে আল্লাহর নির্দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অপরাধ হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর বান্দা যখন কোনোভাবে তার অন্তরের মধ্যে অপরাধবোধ জাগ্রত হবে, সঙ্গে সঙ্গেই সে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করা শুরু করবে। আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয়ে কান্নাকাটি করে যদি তওবা করে, আল্লাহতায়ালা যদি সত্যিই সন্তুষ্ট হন, তাহলে আল্লাহ সব ক্ষমা করে দিতে পারেন। কারণ, তিনি তো উদার। তওবা করলে তিনি বান্দার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এ জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে আপনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করবেন যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এটা আমার ভুল হয়ে গেছে, আমাকে ক্ষমা করে দেন। যদি আপনি সত্যিকারভাবেই অনুতপ্ত হন, সত্যিকারভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে নিজেকে পেশ করতে পারেন, তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আপনার গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।

    দ্বিতীয়ত, মা-বাবার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা, তাঁদের জন্য, তাঁদের পক্ষ থেকে বেশি বেশি করে ওই আমলগুলো বা কাজগুলো করা যে কাজগুলো কেয়ামতের দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মা-বাবার আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যুক্ত করবেন বা আপনার পক্ষ থেকে তাঁদের আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যেগুলো আল্লাহতায়ালা যুক্ত করবেন। এ ধরনের কাজগুলো তাঁদের জন্য করা। এই ভালো কাজগুলোর মধ্যে আপনি সদকা করতে পারেন, হজ, ওমরাহ করাতে পারেন, সমাজকল্যাণমূলক কাজ, মাদ্রাসা করতে পারেন। যেগুলো করলে কেয়ামতের দিন তাঁদের আমলনামার মধ্যে এর নেক আমলগুলো তাঁরা পেয়ে যাবেন। কেয়ামতের দিন যখন মা-বাবা তাঁদের আমলনামায় দেখতে পাবেন যে তাঁরা এই আমল করেননি, তাঁরা অবাক হয়ে যাবেন। এত আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এত আমল করিনি। কারণ, প্রতিটি ব্যক্তি জানে সে কোন আমল নিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে হাজির হয়েছে। সেদিন মা-বাবা যখন দেখতে পাবেন যে আমি এত আমল করিনি, তখন আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, হে রাব্বুল আলামিন এই আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এগুলো করিনি।

    আল্লাহ তখন বলবেন, এগুলো তোমার সন্তানের আমল। কেয়ামতের দিন তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন । আপনার জন্য যে অসন্তুষ্টি তাঁরা দুনিয়া থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন, এই নেক আমল দেখে আপনার প্রতি সেই সন্তুষ্টি এসে যাবে। তখন তারা তাদের হক আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তালাশ করবে না, চাইবে না। আল্লাহর কাছে তারা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে না। তখন তাঁরা বলবেন, রাব্বুল আলামিন আমাদের সন্তান তো আমাদের জন্য করেছে, আমরা জানতাম না যে তারা আমাদের জন্য কিছু করেছে, কিন্তু তারা অনেক কিছু করেছে। তাদের ক্ষমা করে দিন। তারাও তখন তাঁদের সন্তানদের ক্ষমা করে দেবেন। এভাবেই আপনি আল্লাহ এবং পিতা-মাতা দুই পক্ষেরই যে হক সেটা আদায় করতে পারবেন। এ জন্য এই দুটি কাজ সুন্দরভাবে আনজাম দেওয়ার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহতায়ালা হয়তো আপনাকেও কেয়ামতের দিন তাঁদের সন্তুষ্টি অর্জনের পথ খুলে দেবেন।

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: October 11, 2022In: Quran

    মা এর খালাতো ভাইয়ের সামনে যাওয়া কি উচিত ? তারা কি মাহরাম ?

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:02 am

    আলহামদু লিল্লাহ।. মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।     নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলেRead more

    আলহামদু লিল্লাহ।.

    মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।

     

    May be an image of text that says 'মাহরাম চার্ট পুরুষদের ক্ষেত্রে মা মেয়ে বোন ताती ভাগ্নি দুধমা খালা ফুফু ভাতিজি সৎমা দাদী শ্বাস্ুড়ী ছেলের দুধ মেয়ে মহিলাদের ক্ষেত্রে বাবা ছেলে ভাই तাतা দুধ ভাই ভাগিনা মামা চাচা ভাতিজা দাদা শ্বশুড় সৎ ছেলে দুধ ছেলে মেয়ের জামাই এই ১৪ জন ছাড়া বাকি সকলের সাথে পর্দা করা ফরজ। না করাল কবিরা গুনাহ। একটি কবিরা গুনাহ জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।'

     

    নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলে। বোনের ছেলে।

    কিংবা দুধ পানের কারণে। যেমন- নারীর দুধ ভাই। দুধ-মা এর স্বামী।

    কিংবা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে। যেমন- মা এর স্বামী। স্বামীর পিতা, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। স্বামীর সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন।

    নীচে বিস্তারিতভাবে মোহরেমের পরিচয় তুলে ধরা হল:

    রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে যারা মাহরাম তাদের কথা সূরা নূর এ আল্লাহ্‌র এ বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে: “তারা যেন তাদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করে, তবে নিম্নোক্তদের সামনে ছাড়াস্বামী, বাপ, স্বামীর বাপ, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে…।[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] তাফসিরকারকগণ বলেন: নারীর রক্ত সম্পর্কীয় মাহরাম পুরুষগণ হচ্ছেন- এ আয়াতে যাদেরকে উল্লেখ করা হয়েছে কিংবা এ আয়াতে যাদের ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে; তারা হচ্ছে-

    এক: পিতাগণ। অর্থাৎ নারীর পিতাগণ, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। সেটা বাপের দিক থেকে হোক কিংবা মায়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ পিতাদের পিতারা হোক, কিংবা মাতাদের পিতারা হোক। তবে, স্বামীদের পিতাগণ বৈবাহিক সম্পর্কের দিক থেকে মাহরাম হবে, এ ব্যাপারে একটু পরে আলোচনা করা হবে।

    দুই: ছেলেরা। অর্থাৎ নারীর ছেলেরা। এদের মধ্যে সন্তানের সন্তানেরা অন্তর্ভুক্ত হবে, যত নীচের স্তরের হোক না কেন, সেটা ছেলের দিক থেকে হোক, কিংবা মেয়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ ছেলের ছেলেরা হোক কিংবা মেয়ের ছেলেরা হোক। পক্ষান্তরে, স্বামীর ছেলেরা: আয়াতে তাদেরকে ‘স্বামীর অন্য স্ত্রীর ছেলে’ বলা হয়েছে; তারা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে মাহরাম হবে; রক্ত সম্পর্কের কারণে নয়। একটু পরেই আমরা সেটা বর্ণনা করব।

    তিন: নারীর ভাই। সহোদর ভাই হোক; কিংবা বৈমাত্রেয় ভাই হোক; কিংবা বৈপিত্রীয় ভাই হোক।

    চার: ভ্রাতৃপুত্রগণ; যত নীচের স্তরের হোক না কেন, ছেলের দিক থেকে কিংবা মেয়ের দিক থেকে। যেমন- বোনের মেয়েদের ছেলেরা।

    পাঁচ: চাচা ও মামা। এ দুই শ্রেণী রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় হিসেবে মাহরাম। কিন্তু, উল্লেখিত আয়াতে তাদেরকে উল্লেখ করা হয়নি। কেননা তারা পিতামাতার মর্যাদায়। মানুষের কাছেও তারা পিতামাতার পর্যায়ভুক্ত। চাচাকে কখনও কখনও পিতাও বলা হয়। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: “তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বললঃ আমার পর তোমরা কার ইবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের ইবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।”[সূরা বাক্বারা, আয়াত: ১৩৩] ইসমাঈল (আঃ) ইয়াকুব (আঃ) এর সন্তানদের চাচা ছিলেন। [তাফসির আল-রাযি (২৩/২০৬), তাফসির আল-কুরতুবী (১২/২৩২, ২৩৩), তাফসির আল-আলুসি (১৮/১৪৩), ফাতহুল বায়ান ফি মাকাসিদ আল-কুরআন (৬/৩৫২)]

    দুধ পানের কারণে যারা মাহরাম:

    নারীর মাহরাম কখনও দুধ পানের কারণে সাব্যস্ত হতে পারে। তাফসিরে আলুসিতে এসেছে, যে মোহরেমের সামনে নারীর সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ সে মাহরাম রক্ত সম্পর্কের কারণে যেমন সাব্যস্ত হয় আবার দুধ পানের কারণেও সাব্যস্ত হয়। তাই, নারীর জন্যে তার দুধ পিতা ও দুধ সন্তান এর সামনে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ।[তাফসিরে আলুসি (১৮/১৪৩)] কেননা দুধ পান এর কারণে যারা মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের ন্যায়; এদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে নিষিদ্ধ। পূর্বোক্ত এই আয়াতটির তাফসির করাকালে ইমাম জাস্‌সাস এ দিকে ইশারা করে বলেন: “আল্লাহ্‌ তাআলা যখন পিতৃবর্গের সাথে সেসব মাহরামদেরও উল্লেখ করলেন যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন চিরতরে হারাম এতে করে এ প্রমাণ পাওয়া গেল যে, মাহরাম হওয়ার ক্ষেত্রে যে তাদের পর্যায়ে তার হুকুম তাদের হুকুমের মতই। যেমন- শাশুড়ি ও দুধ পান সম্পর্কীয় মাহরামবর্গ প্রমুখ।[আহকামুল কুরআন (৩/৩১৭)]

    রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়: হাদিসে এসেছে, রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়। এ হাদিসের অর্থ হল, বংশীয় সম্পর্কের কারণে যেমন কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়; তেমনি দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণেও কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়। সহিহ বুখারীতে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর আবু কুয়াইস এর ভাই আফলাহ একবার আয়েশা (রাঃ) এর সাথে দেখা করার অনুমতি চাইল; তিনি হচ্ছেন- আয়েশা (রাঃ) এর দুধ চাচা। কিন্তু, আয়েশা (রাঃ) অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন তখন আয়েশা (রাঃ) বিষয়টি জানালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অনুমিত দেয়ার নির্দেশ দেন।[সহিহ বুখারী শরহে কুসতুল্লানিসহ ৯/১৫০; ইমাম মুসলিমও এ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। সহিহ মুসলিমের ভাষায় “উরউয়া (রাঃ) আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাকে জানিয়েছেন যে, একবার তার দুধ চাচা ‘আফলাহ’ তার সাথে দেখা করার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু, তিনি তাকে বারণ করলেন। পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন: তার থেকে পর্দা করতে হবে না। কারণ রক্ত সম্পর্কের কারণে যে সব আত্মীয় মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কের কারণেও সেসব আত্মীয় মাহরাম হয়।[সহিহ মুসলিম বি শারহিন নাবাবি ১০/২২]

    নারীর দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয় রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের মত:

    ফিকাহবিদগণ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে স্পষ্টাভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দুগ্ধপানের কারণে যারা কোন নারীর মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মাহরামদের ন্যায়। তাই দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ; ঠিক যেভাবে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ। সে সব মোহরেমের জন্য উক্ত মহিলার ঐ সব অঙ্গ দেখা জায়েয আছে রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের জন্য যা কিছু দেখা জায়েয আছে।

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হয়:

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে সেসব পুরুষ মাহরাম হয় যাদের সাথে বিবাহ চিরতরে নিষিদ্ধ। যেমন, বাপের স্ত্রী, ছেলের বউ, স্ত্রীর মা।[শারহুল মুন্তাহা ৩/৭]

    অতএব, বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হবে: পিতার স্ত্রীর ক্ষেত্রে সে হবে এ নারীর অন্য ঘরের সন্তান। সন্তানের স্ত্রী যেহেতু তিনি পিতা। স্ত্রীর মা, যেহেতু তিনি স্বামী। আল্লাহ্‌ তাআলা সূরা আল-নূর এ বলেন: “আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র… ছাড়া কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে”[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] শ্বশুর, স্বামীর পুত্র বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে মাহরাম। আল্লাহ্‌ তাআলা এ শ্রেণীকে নারীর নিজের পিতা ও পুত্রের সাথে উল্লেখ করেছে এবং সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সমান বিধান দিয়েছেন।[আল-মুগনী (৬/৫৫৫)]

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: September 23, 2022In: Quran

    চোখের সমস্যা

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 23, 2022 at 10:56 pm

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা। অর্থ : হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নাই।

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা।

    অর্থ : হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নাই।

    See less
      • 4
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 189
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 305
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 115 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

custom printed gazebo custom printed marquee custom printed marquees australia gazebo australia gazebo legs weights heavy duty gazebos australia islam marquee banner oztrail deluxe gazebo oztrail marquee weights oztrail printed gazebo roofs pop up marquee printed gazebo canopies printed table cover question teardrop banner flags তারাবি নামাজ বিয়ে সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.