Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: April 30, 2022In: Basic Islam

    মেয়েদের অভিভাবক হীন(, পালিয়ে বিয়ে) কতটা যৌক্তিক?

    Dr. Nafis Ahmed
    Best Answer
    Dr. Nafis Ahmed
    Added an answer on April 30, 2022 at 5:25 pm

    ইসলামী শরিয়তে ছেলে এবং মেয়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার একমাত্র পদ্ধতি হচ্ছে বিয়ে। বিয়ের পূর্বে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ শুধু জৈবিক প্রয়োজন পূরণের মাধ্যম নয়- বরং একটি মহান ইবাদত। এটি ধর্মীয় অনুশাসন ও রিচুয়ালের অন্যতম অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) দ্ব্যর্থহRead more

    ইসলামী শরিয়তে ছেলে এবং মেয়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার একমাত্র পদ্ধতি হচ্ছে বিয়ে। বিয়ের পূর্বে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়।

    ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ শুধু জৈবিক প্রয়োজন পূরণের মাধ্যম নয়- বরং একটি মহান ইবাদত। এটি ধর্মীয় অনুশাসন ও রিচুয়ালের অন্যতম অংশ।

    রাসুলুল্লাহ (সা.) দ্ব্যর্থহীনকন্ঠে ঘোষণা করেছেন, বিবাহ আমার সুন্নত। যে আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সে আমাদের দলভুক্ত নয়। (সুনানু ইবনি মাযাহ, হাদিস নং-১৯১৯)

    ইসলামে প্রতিটি বিষয়ে যেমন দিকনির্দেশনা রয়েছে তেমনি বিবাহের জন্যও রয়েছে অনেক বিধি নিষেধ।

    বিয়ের সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে উপযুক্ত বয়সে স্ত্রীর ভরণ পোষণের ক্ষমতা অর্জনের পর পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপযুক্ত পাত্রীকে বিয়ে করা।

    পারিবারিক ও সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সময়ের পূর্বে অভিভাবকের অজান্তে বিয়ে করা একেবারেই অনুচিত।

    রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘অভিভাবক ছাড়া বিয়ে সংঘটিত হয় না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১১০১; আবু দাউদ, হাদিস : ২০৮৩)

    এর কারণ হলো, পারিবারিক মূল্যবোধের জায়গা থেকে পরিবারের সদস্যদের অভিমত ও বংশীয় মর্যাদা পারিবারিক বন্ধনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। আবার অভিভাবকহীন বিয়েতে কখনো কখনো ‘কুফু’ (সমতা) রক্ষা হয় না। সে ক্ষেত্রে বংশের অপমান হয়। তাই অভিভাবকদের এ ক্ষেত্রে কিছু অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    আর অভিভাবকহীন বিয়ে বা গোপন বিয়ে অসামাজিক ও অকৃতজ্ঞতাপূর্ণ কাজ। এ জন্য বিয়ের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা ইসলাম পছন্দ করে না। তাই ইসলামের নির্দেশনা হলো, ‘বিয়ে করবে ঘোষণা দিয়ে।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৪/৫)

    এতদসত্ত্বেও যদি কেউ অন্যায় লালসায় তাড়িত হয়ে কমপক্ষে দু’জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিয়ে করেই ফেলে, তাহলে যদিও শরিয়তের দৃষ্টিতে বিশেষ বিবেচনায় বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে তা সম্পূর্ণ অনুচিত হবে।

    কারণ বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার শর্ত হল শরীয়তের মুকাল্লাফ (যাদের উপর শরীয়তের বিধান আরোপিত হয়) এমন দুইজন স্বাধীন পুরুষ সাক্ষী বা একজন স্বাধীন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষী হতে হবে, যারা প্রস্তাবনা ও কবুল  বলার উভয় বক্তব্য নিজ কানে উপস্থিত থেকে শুনতে পায়। (আদ দুররুল মুখতার-৩/৯, ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/২৬৮)

    তাই এ ধরনের বিয়ে নিন্দনীয় হলেও গোপনে বিয়ে করে ফেললে বিয়ে হয়ে যাবে, তখন এই বন্ধন রক্ষা করতে হবে। কেননা বিয়ে কোনো ছেলেখেলা নয়, বরং এটি নারী-পুরুষের সারা জীবনের পবিত্র বন্ধন। তাই গোপনে বিয়ে করে ফেললেও তালাকের পথে পা বাড়াবে না।

    কেউ গোপনে বিয়ে করে ফেললে মা-বাবার সঙ্গে এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করা জরুরি। তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে যে অভিভাবককে না জানিয়ে যে বিয়ে করেছে, তার শাস্তি সে পেতে পারে, তার স্ত্রী নয়। এর প্রতিকার হিসেবে তালাকের মতো দুর্ঘটনা ঘটলে তা হবে আরেকটি অন্যায়।

    অবশ্য যদি ‘কুফু’ (সমতা) রক্ষা না হয় বা অভিভাবক মারাত্মক কোনো সমস্যা দেখেন, তাহলে তারা সন্তানকে বিবাহবিচ্ছেদের কথা বলার অধিকার রাখে। এক্ষেত্রে যদি তারা তালাকের কথা বলে, তাহলে দেখতে হবে, তাদের কথা সঠিক ও যুক্তিসংগত কি না?

    যদি অভিভাবকের কথা সঠিক ও যুক্তিসংগত হয় এবং সে কারণে তালাক ছাড়া আর কোনো পথ বাকি না থাকে, পাশাপাশি যদি তালাক দেওয়ার দ্বারা তার ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকে, তাহলে মা-বাবার সন্তুষ্টির জন্য স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে।

    পক্ষান্তরে তালাকের কারণ যদি যৌক্তিক না হয়, তাহলে তালাক দেওয়া জায়েজ হবে না।  (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৪৭১২, আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৩৮)

    সুতরাং আখেরাত ও জাহান্নামের কথা স্মরণ করে গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিভাবকদের জানিয়ে তাদের পরামর্শক্রমেই বিয়ে করতে হবে। দায় দায়িত্বহীনভাবে গোপনে বিয়ে করা শরিয়তের দৃষ্টিতে পছন্দনীয় নয়।

    See less
      • 11
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: April 24, 2022In: Basic Islam

    যাকাত

    Mehedi Jobayer
    Mehedi Jobayer Begginer
    Added an answer on April 30, 2022 at 12:31 am

    সম্পূর্ণ স্বর্ণের উপর যাকাত দিতে হবে। এখন কথায় আসি কিভাবে প্রদান করবেন.? সম্পূর্ণ স্বর্ণে কে নগদ (বিক্রয় মূল্য অনুযায়ী) টাকায় রূপান্তর করবেন দেখবেন কত টাকা হয়। যত টাকা হবে তার ২.৫% যাকাত দিতে হবে। জাজাকাল্লাহ ?

    সম্পূর্ণ স্বর্ণের উপর যাকাত দিতে হবে।

    এখন কথায় আসি কিভাবে প্রদান করবেন.?

    সম্পূর্ণ স্বর্ণে কে নগদ (বিক্রয় মূল্য অনুযায়ী) টাকায় রূপান্তর করবেন দেখবেন কত টাকা হয়। যত টাকা হবে তার ২.৫% যাকাত দিতে হবে।

    জাজাকাল্লাহ ?

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: April 24, 2022In: Basic Islam

    যাকাত সংক্রান্ত

    Mehedi Jobayer
    Mehedi Jobayer Begginer
    Added an answer on April 30, 2022 at 12:23 am

    নিসাব পরিমান স্বর্ণ আছে কিন্তু নগদ টাকা না থাকলে স্বর্ন বিক্রি করে হলেও যাকাত আদায় করতে হবে।কিন্তু স্বামি যদি দিতে চায় তাহলে দিতে পারবে তার জন্য স্ত্রীর কাছে বলে তারপর কাউকে প্রদান করতে হবে, কারণ স্ত্রীকে নিয়ত করতে হবে যাকাতের জন্য। নিয়ত ছাড়া যাকাত প্রদান করলে সাধারণ দানের মতই দান করা হবে,যাকাত আদায়Read more

    নিসাব পরিমান স্বর্ণ আছে কিন্তু নগদ টাকা না থাকলে স্বর্ন বিক্রি করে হলেও যাকাত আদায় করতে হবে।কিন্তু স্বামি যদি দিতে চায় তাহলে দিতে পারবে তার জন্য স্ত্রীর কাছে বলে তারপর কাউকে প্রদান করতে হবে, কারণ স্ত্রীকে নিয়ত করতে হবে যাকাতের জন্য। নিয়ত ছাড়া যাকাত প্রদান করলে সাধারণ দানের মতই দান করা হবে,যাকাত আদায় হবে না।

    আর যদি আপনি তার মোহরানা পরিশোধ করতে চান, তাহলে তাকে প্রথমে মোহরানা হিসেবে টাকা প্রদান করুন।তারপর বলুন যে তুমি যাকাত দাও।

    জাজাকাল্লাহ ?

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: April 27, 2022In: Others

    আমার পরিবার আমাকে তারা পর্দা করতে বাধা দান করে আমার এই আচরণে তারা ক্ষিপ্ত হয়, অনেক কথা বলে সে ক্ষেত্রে আমার করনীয় কি???

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on April 28, 2022 at 10:12 pm

    মাশা আল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাকে হেদায়েত দান করেছেন জেনে অন্তত খুশি হলাম বোন,, আপনার মত আমি নিজেও একই সমস্যায় ভুগছি,,, একটু খেয়াল করুন রাসুল সঃ এর যুগে যখন আল্লাহর রাসুল সঃ ৪০বছর বয়সে নবুয়ত পান তার আগে মক্কা বাসির কাছে রাসুল সঃ   খুবই একজন বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন,তাকে সবাই ভালোবাসতেন,,, নRead more

    মাশা আল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আপনাকে হেদায়েত দান করেছেন জেনে অন্তত খুশি হলাম বোন,, আপনার মত আমি নিজেও একই সমস্যায় ভুগছি,,, একটু খেয়াল করুন রাসুল সঃ এর যুগে যখন আল্লাহর রাসুল সঃ ৪০বছর বয়সে নবুয়ত পান তার আগে মক্কা বাসির কাছে রাসুল সঃ   খুবই একজন বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন,তাকে সবাই ভালোবাসতেন,,, নবুয়ত পাওয়ার পরেই কিন্তু তার নিজের, কাছের মানুষরাই তাকে অপবাদ,লাঞ্চনা করতে থাকলেন,,, যদি তার জীবনে তার সমালোচক থাকে, তার নিন্দুক তাকে তাহলে  আল্লাহর পথে আসার কারনে যে আপনার আমার থাকবে না তা কি করে হয়,,,,

     

     

    বোন ধৈর্য ধরুন,,, সম্পুর্ন ভরশা আল্লাহর উপর রাখুন,,,আপনি হেদায়েত পেয়েছেন আশে পাশে আপনার পরিবার দের বোঝান, নসিহাহ করুন তারা মানুক আর না মানুক আপনি বলে যান,,,, আর আপনিও দ্বীন নিয়ে ভালো পড়াশোনা করুন,,,

    আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন,,,অচিরেই আল্লাহ আপনাকে এতো দিবেন যে আপনি খুশি হয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ,,,

    আল্লাহ আপনার সহায় হোক,,,,

     

    See less
      • 16
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: April 27, 2022In: Basic Islam

    সূরা মিলানোর নিয়ম কি?

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on April 27, 2022 at 7:47 pm

    https://www.youtube.com/watch?v=Ssc7f_xERfw

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: April 25, 2022In: Others

    নামায

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on April 25, 2022 at 6:49 pm

    কুরআন আল্লাহ তাআলার প্রেরিত অনন্য নিয়ামাত। এ নিয়ামাত নামাজে তিলাওয়াত করা আবশ্যক। তিলাওয়াত হতে হবে বিশুদ্ধ। নামাজে কিরাআত তিলাওয়াতের বিষয়াবলী জানা প্রত্যেক মুসলমানের অপরিহার্য দায়িত্ব। নামাজের কিরাআত তিলাওয়াত সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হলো- ১. কুরআনের অক্ষর, বাক্য, আয়াতগুলো বিশুদ্ধ উRead more

    কুরআন আল্লাহ তাআলার প্রেরিত অনন্য নিয়ামাত। এ নিয়ামাত নামাজে তিলাওয়াত করা আবশ্যক। তিলাওয়াত হতে হবে বিশুদ্ধ। নামাজে কিরাআত তিলাওয়াতের বিষয়াবলী জানা প্রত্যেক মুসলমানের অপরিহার্য দায়িত্ব। নামাজের কিরাআত তিলাওয়াত সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হলো-

    ১. কুরআনের অক্ষর, বাক্য, আয়াতগুলো বিশুদ্ধ উচ্চারণ হতে হবে। তিলাওয়াত ভুল হলে গোনাহগার হতে হবে।

    ২. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতে সুরা ফাতিহার সঙ্গে সুরা মিলাতে হবে। সুরা মিলানো ওয়াজিব।

    ৩. কমপক্ষে তিন আয়াত বা তিন আয়াতের সমপরিমাণ বড় এক আয়াত তিলাওয়াত করতে হবে।

    ৪. বিতর, সুন্নাত ও নফল নামাজের ক্ষেত্রে প্রত্যেক রাকাআতেই সুরা ফাতিহার সঙ্গে সুরা মিলাতে হবে।

    ৫. ফজর, মাগরিব, ইশা, জুমা, বিতর নামাজ জামাআতে পড়া কালীন সময়ে, দুই ঈদের নামাজে সুরা উচ্চ স্বরে তিলাওয়াত করতে হবে।

    ৬. ফজর, মাগরিব ও ইশার নামাজ একাকি আদায় করলেও উচ্চ স্বরে কিরাআত তিলাওয়াত করা উত্তম।

    ৭. সুরা ফাতিহার সঙ্গে সুরা মিলানোতে প্রত্যেক রাকাআতে আলাদা আলাদা সুরা তিলাওয়াত করা উত্তম।

    ৮. আস্তে আস্তে কিরাআতের নামাজে সুরা সমূহ মুখে উচ্চারণ করে তিলাওয়াত করতে হবে; মুখ বন্ধ করে মনে মনে পড়া যাবে না। এমনভাবে পড়তে হবে যাতে নিজ কানে আওয়াজ আসে।

    ৯. কিরাআত শেষ হওয়ার পূর্বে তিলাওয়াত করতে করতে রুকুতে যাওয়া মাকরুহ।

    ১০. ফরজ নামাজে ইচ্ছাকৃতভাবে কুরআনের ক্রমধারা ঠিক না রাখা মাকরুহ। ভুলে পড়লে মাকরুহ হবে না। ক্রমধারা অর্থ হচ্ছে- প্রথম রাকাআতে কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পড়ে দ্বিতীয় রাকাআতে ইন্না আ’ত্বাইনা পড়া।

    ১১. ফরজ নামাজে একই সুরার অনেক আয়াত একত্রে পড়া এবং দু’আয়াতের কম ছেড়ে দ্বিতীয় রাকআতে সামনে থেকে পড়া মাকরুহ। আবার কেউ যদি দুই সুরা এভাবে পড়ে যে, মাঝখানে ৩ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা চেড়ে দিয়ে পরবর্তী সুরা পড়ে তবে তা মাকরুহ। যেমন- প্রথম রাকাআতে সুরা মাউন এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা কাফিরুন পড়ে মাঝে সুরা কাউছার ছেড়ে দেয় তাহলে মাকরুহ হবে। এ হুকুম ফরজ নামাজের জন্য নফলের জন্য নয়।

    ১২. ফরজ নামাজে একই রাকাআতে সুরা মিলানোর মধ্যে এক বা একাধিক আয়াত ছেড়ে দুই সুরা পড়া মাকরুহ। নফলের ক্ষেত্রে এ হুকুম প্রযোজ্য নয়।

    ১৩. যদি কেউ নতুন মুসলমান হয়। তবে অনতিবিলম্বে সুরা বা আয়াত শিখে নিতে হবে। শিখে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত নামাজে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ইত্যাদি তাসবিহ পড়বে। কুরআন শিক্ষা করার ব্যাপারে অলসতা করলে গোনাহগার হবে।

    সুতরাং আল্লাহ তাআলা নামাজের কিরাআত তিলাওয়াতে সঠিকভাবে তিলাওয়াত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: April 24, 2022In: Others

    ঋতুস্রাবের সর্বোচ্চ সময় কতদিন?.

    Anonymous
    Best Answer
    Anonymous
    Added an answer on April 24, 2022 at 8:11 pm

    সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ জন্য। প্রথমত : যখন কোনো নারীর মাসিক হয় তখন তা থেকে তার পবিত্রতার চিহ্ন হল রক্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া তা কম বা বেশি সময়ের জন্য হোক না কেন। ফক্বীহগণের অনেকের মতে, মাসিকের সর্বনিম্ন সময় এক দিন এক রাত এবং সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন। তবে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ-রাহিমাহুল্লাহ- এর মতে,Read more

    সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ জন্য।

    প্রথমত : যখন কোনো নারীর মাসিক হয় তখন তা থেকে তার পবিত্রতার চিহ্ন হল রক্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া তা কম বা বেশি সময়ের জন্য হোক না কেন। ফক্বীহগণের অনেকের মতে, মাসিকের সর্বনিম্ন সময় এক দিন এক রাত এবং সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।

    তবে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ-রাহিমাহুল্লাহ- এর মতে, মাসিকের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সময়ের কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। বরং যতক্ষণ তার মধ্যে মাসিকের (রক্তের) বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান থাকবে তখনই সেটা হায়েয (মাসিক) হিসেবে গণ্য হবে। তিনি বলেছেন :

    “হায়েয (মাসিক), আল্লাহ এর সাথে কুরআন ও সুন্নাহ এ অনেক রকম বিধি-বিধান (বিধি বিধান) সম্পৃক্ত করেছেন, আর এর কোনো সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ নির্দিষ্ট করে দেন নি, দুই হায়েযের মাঝখানে পবিত্রতার সময়টিও নির্ধারণ করে দেন নি। কারণ, এতে করে মানুষের জন্য শরী‘আতের বিধান পালন করা কষ্টকর হয়ে পড়ে … ”

    এরপর তিনি বলেছেন : “আর ‘আলেমগণের মাঝে অনেকে এর (মাসিকের )সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সময় নির্ধারণ করেছেন। এরপর সেই নির্ধারিত সময়ের ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। আবার তাঁদের মধ্যে অনেকে সর্বোচ্চ সময় নির্ধারণ করলেও সর্বনিম্ন সময় নির্ধারণ করেন নি। তবে এখানে তৃতীয় মতটি বেশি সঠিক, আর তা হল: এর (মাসিকের) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সময়ের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই।” [মাজমূ‘উল ফাত্‌ওয়া (১৯/২৩৭ )]

    দ্বিতীয়ত : এছাড়া আরও এক ধরণের রক্ত আছে যাকে ইসতিহাযা বলে, যা হায়েযের রক্ত থেকে আলাদা। এর বিধি-বিধান হায়েযের বিধি-বিধান থেকে আলাদা। আর এই রক্তকে হায়েযের রক্ত থেকে নিচের কয়েকটি গুণাবলী দ্বারা পৃথক করা যায়:

    রং – হায়েযের রক্ত কালচে আর ইসতিহাযার রক্ত লাল।
    ঘনত্ব – হায়েযের রক্ত ঘন, গাঢ় আর ইসতিহাযার রক্ত পাতলা।
    ঘ্রাণ – হায়েযের রক্ত দুর্গন্ধযুক্ত আর ইসতিহাযার রক্ত দুর্গন্ধযুক্ত নয়; কারণ এটি শিরার স্বাভাবিক রক্ত।
    জমাটবদ্ধতা – হায়েযের রক্ত বের হওয়ার পর জমাট বাঁধে না কিন্তু ইসতিহাযা’র রক্ত জমাট বাঁধে, কারণ তা শিরার রক্ত।

    হায়েযের কারণে সালাত নিষিদ্ধ হয় আর ইসতিহাযার কারণে সালাত নিষিদ্ধ হয় না বরং সে নারী পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং প্রতি সালাতের জন্য ওযু করবে যদি পরবর্তী ওয়াক্বতের সালাত পর্যন্ত রক্ত পড়া অব্যাহত থাকে, এমনকি সালাত আদায়ের সময়েও যদি এ রক্ত পড়তে থাকে তবে তাতে সালাতের কোনো সমস্যা হবে না।

    মূলনীতিটি হল, নির্গত হওয়া রক্ত হায়েযের (মাসিকের) রক্ত হিসেবেই ধর্তব্য হবে; যদি না তা প্রবাহমান হয় এবং গোটা মাস জুড়ে অব্যাহত থাকে, (তখন তা ইস্তেহাযার রক্ত বিবেচিত হবে) এ হচ্ছে শাইখুল ইসলামের মত। অথবা হায়েযের (মাসিকের) সর্বোচ্চ সময়সীমা ১৫ দিনের বেশি অতিক্রান্ত হলে তবে অধিকাংশ ‘আলেমের মতে তা ইস্‌তিহাযা-এর রক্ত বলে বিবেচিত হবে।

    তৃতীয়ত : একজন নারী তার পবিত্রতা দুটো চিহ্নের যে কোনো একটির মাধ্যমে জানতে পারে:

    (১) শ্বেতস্রাব (আল-ক্বাসসাতুল বাইদ্বা’) : আর তা হল একধরনের সাদা তরল পদার্থ যা জরায়ু থেকে বের হয়, এটি পবিত্রতার একটি চিহ্ন।
    (২) পূর্ণ শুষ্কতা: যদি কোনো নারীর এই শ্বেতস্রাব না আসে, সেক্ষেত্রে সে রক্ত বের হওয়ার স্থানে সাদা তুলো প্রবেশ করাবে, তা যদি পরিষ্কার অবস্থায় বের হয় তবে সে জানবে যে সে পবিত্র হয়ে গেছে, এরপর সে গোসল করে সালাত আদায় করবে।

    আর যদি সে তুলো লাল, হলুদ ও খয়েরী রঙ এর বের হয় তাহলে সে সালাত আদায় করবে না।

    আর মহিলা সাহাবীগণ, ‘‘আয়েশাহ্‌ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এর কাছে পাত্রে করে তুলো পাঠাতেন যাতে হলদে রঙ (এর স্রাব) থাকতো। তিনি ‘আয়েশাহ্‌ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলতেন : “আপনারা শ্বেতস্রাব না দেখা পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করবেন না।”

    [এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী মু‘আল্লাক্ব হিসেবে, (কিতাব আল-হায়েয, বাব ইক্ববাল আল-মাহীদ্ব ওয়া ইদবারিহ) ও মালিক (১৩০)]

    তবে যদি এই হলদে বা খয়েরী রঙ এর স্রাব সে নারীর পবিত্রতার দিনগুলোতে (শ্বেতস্রাব বের হওয়ার পর) আসে, তা ধর্তব্য হবে না এবং সে নারী তার সালাত ত্যাগ করবে না, গোসলও করবে না [তবে তা পরিষ্কার করে ওযু করবে] কারণ তা গোসল ওয়াজিব করে না, আর তা থেকে অপবিত্রও হয় না।

    এর দলীল হল উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস :

    كنا لا نعد الصفرة والكدرة بعد الطهر شيئاً . رواه أبو داود (307) ، ورواه البخاري ( 320 ) ولم يذكر ” بعد الطهر ” .

    “আমরা পবিত্রতার পর হলদে বা খয়েরী স্রাবকে কোনো কিছু হিসেবে (হায়েয হিসেবে) গণ্য করতাম না।”

    [এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাঊদ (৩০৭), আর বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী (৩২০) তবে “পবিত্রতার পর’’ কথাটি উল্লেখ করেন নি]

    ‘কুদ্‌রাহ’ বা খয়েরী স্রাব ময়লা পানির ন্যায়। ‘কোন কিছু হিসেবে (হায়েয হিসেবে) গণ্য করতাম না’ অর্থাৎ হায়েয হিসেবে গণ্য করতাম না তবে এতে ওযু করা ওয়াজিব হয়।

    তবে যদি খয়েরী বা হলুদ স্রাব হায়েযের সাথে বের হয় তবে তা হায়েযের মধ্যে বলে গণ্য হবে।

    চতুর্থত : যদি কোনো নারী মনে করে যে সে পবিত্র হয়েছে এবং এরপর রক্ত ফিরে আসে এবং সেই রক্ত হায়েযের বৈশিষ্ট্য বহন করে তবে তা হায়েয (মাসিক)। যদি না গোটা মাস জুড়ে অব্যাহত থাকে।

    আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 175
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 305
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 115 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

#muslim biye custom printed gazebo iftar islam islamic calander marquee banner oztrail printed gazebo roofs poll prayer time question questions time তারাবি তাহাজ্জুদ নামাজ বিয়ে মহিলা রোজা সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.