Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: August 10, 2021In: Others

    সুন্নাত নামায সংক্রান্ত

    Nafizul
    Nafizul
    Added an answer on August 18, 2021 at 5:22 pm

    Apnake ke boleche je Okhane sunnot namaz pora hoy na? Ekti reference dile valo hoto.

    Apnake ke boleche je Okhane sunnot namaz pora hoy na? Ekti reference dile valo hoto.

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: July 31, 2021In: Basic Islam

    গোসল করলে কি অযু করতে হয়?

    Sumon
    Sumon
    Added an answer on July 31, 2021 at 4:12 pm

    গোসলের সকল নিয়ম মেনে গোসল করলে সেখানে অযু ও পবিত্রতার সকল শর্তও পূরণ হয় বিধায় আলাদাভাবে অযু করার প্রয়োজন পড়ে না । عَنْ عَائِشَةَ، – رضى الله عنها – قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لاَ يَتَوَضَّأُ بَعْدَ الْغُسْلِ আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ গোসলের পর অযু করতেন না। (সূনান নাসাঈ:Read more

    গোসলের সকল নিয়ম মেনে গোসল করলে সেখানে অযু ও পবিত্রতার সকল শর্তও পূরণ হয় বিধায় আলাদাভাবে অযু করার প্রয়োজন পড়ে না ।

    عَنْ عَائِشَةَ، – رضى الله عنها – قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لاَ يَتَوَضَّأُ بَعْدَ الْغُسْلِ

    আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ গোসলের পর অযু করতেন না। (সূনান নাসাঈ: ২৫৩)
    والله اعلم بالصواب

    See less
      • 6
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: May 2, 2021In: Others

    রোজা

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on May 2, 2021 at 6:40 pm

    হ্যাঁ, রমজান মাসে বিয়ে করা সিদ্ধ, নিষিদ্ধ কিছুই না, জায়েজ। বিয়ে করতে পারেন। রমজান মাসে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়া-দাওয়া রাতে হবে এবং বিয়েও রাতেই হবে। এটা স্বাভাবিক কথা।

    হ্যাঁ, রমজান মাসে বিয়ে করা সিদ্ধ, নিষিদ্ধ কিছুই না, জায়েজ। বিয়ে করতে পারেন। রমজান মাসে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়া-দাওয়া রাতে হবে এবং বিয়েও রাতেই হবে। এটা স্বাভাবিক কথা।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: April 29, 2021In: Others

    বিতর সালাত

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on April 29, 2021 at 10:44 pm

    Similar Question : বিতর সালাতের পর তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কি?? জ্বি যাবে। তবে উত্তম হলো রাতের নামাজকে বেজোড় করে দেওয়া। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি এশার সালাতের সাথে সালাতুল বিতর আদায় করে নেওয়ার পর আবার যদি রাত জেগে থাকেন, তাহলে তিনি আবার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিতর দ্বিতীয়বার আর পড়তে হবে নাRead more

    Similar Question : বিতর সালাতের পর তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কি??

    জ্বি যাবে। তবে উত্তম হলো রাতের নামাজকে বেজোড় করে দেওয়া। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি এশার সালাতের সাথে সালাতুল বিতর আদায় করে নেওয়ার পর আবার যদি রাত জেগে থাকেন, তাহলে তিনি আবার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিতর দ্বিতীয়বার আর পড়তে হবে না। তবে উত্তম হলো তিনি যদি নিশ্চিত থাকেন যে, আমি ইনশা আল্লাহ শেষ রাতে নামাজ পড়ার জন্য উঠব, তাহলে নামাজকে বিতর দিয়ে বেজোড় করা। আর যদি যদি এশার সালাতের সাথে বিতর পড়ে থাকেন, তারপরও তাহাজ্জুদ পড়তে পারবেন, অসুবিধা নেই।
    Reference :

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: April 27, 2021In: Basic Islam

    যুলোম কী?

    Anonymous
    Best Answer
    Anonymous
    Added an answer on April 27, 2021 at 1:03 pm

    Zulm (lit: injustice, wrongfully depriving someone of his legal and moral rights), from a moral perspective, means to wrongfully take something for oneself or grant it to another person, and to, thereby, deprive the person, who actually had a rightful claim on that thing.

    Zulm (lit: injustice, wrongfully depriving someone of his legal and moral rights), from a moral perspective, means to wrongfully take something for oneself or grant it to another person, and to, thereby, deprive the person, who actually had a rightful claim on that thing.

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: April 26, 2021In: Others

    পরিবারকে না জানিয়ে লুকিয়ে বিয়ে করা কি জায়েজ?

    Anonymous
    Best Answer
    Anonymous
    Added an answer on April 27, 2021 at 12:21 pm

    The Qur’an says that the contract of Nikah (marriage) should be undertaken in the manner that is recognized, supported and followed by the honorable and noble people of a society (see: Al-Baqarah 2: 232). In the light of the guidance provided by the Qur’an, it may be said that a nikah, to be valid,Read more

    The Qur’an says that the contract of Nikah (marriage) should be undertaken in the manner that is recognized, supported and followed by the honorable and noble people of a society (see: Al-Baqarah 2: 232).

    In the light of the guidance provided by the Qur’an, it may be said that a nikah, to be valid, must fulfill three necessary conditions; firstly, it must entail the free consent of both the male and the female entering into this contract; secondly, it (the contract) must not be kept hidden and should be declared in the society and thirdly,payment of mehr(the obligatory token money paid by the bridegroom to ensure financial responsibility )

    The first condition is quite obvious. It is the very spirit of every contract that it should be based on the free consent of all the parties entering into that contract. Any contract, which is not based on the free consent of the parties concerned is void in the eyes of the law.

    Furthermore, because nikah (marriage) is a social contract, it must, therefore, be declared and recognized in the society. It is basically this social recognition, which nikah provides to the mutual bond between a male and a female who may otherwise be unrelated to each other. If you look closely at the marital relationship between a man and a woman, you shall see that the only difference it has when it is compared to an illegitimate relationship between a man and a woman who are not married to each other is that the latter is not recognized by the society to be any relationship at all. Every social relationship, by its very nature, gives all the parties in such a relationship some rights on the others and imposes on them some duties toward others. A nikah is basically a social declaration by both the parties of the intent of fulfilling all the rights and duties that arise out of wedlock. If any nikah fails to fulfill this condition of social declaration, it can then, by no means, be termed as a nikah.

    Answer taken from : https://uiuk.org/is-a-secret-nikah-valid/

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: April 25, 2021In: Basic Islam

    শীরক কী? শীরক চেনার উপায়?

    Shazzad Hossen
    Shazzad Hossen
    Added an answer on April 25, 2021 at 8:37 pm

    কি কি কাজ করলে শিরক হয়? শিরক সম্পর্কে জানলেন না...তো আপনার এ জীবনই বৃথা!! নামাজ, রোজা,হজ্জ,দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্বংস করে দেয়। আর শেষ ফলাফল হলো স্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান।   শরিরে যে কোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শিরক। ®[মুসনাদে আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২] . আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামেRead more

    কি কি কাজ করলে শিরক হয়? শিরক সম্পর্কে জানলেন না…তো আপনার এ জীবনই বৃথা!! নামাজ, রোজা,হজ্জ,দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্বংস করে দেয়। আর শেষ ফলাফল হলো স্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান।

     

    শরিরে যে কোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শিরক।

    ®[মুসনাদে আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]

    .

    আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক।

    ®[আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]

    .

    কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক।

    ®[বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]

    .

    মাজারে ও কোন পির-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক।

    ®[সুর জীন: ২০, মুসলিম:১০৭৭,

    আবু দাউদ, মুত্তাফাকুন আলাই]

    .

    আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পির-আওলিয়া কিংবা

    মাজারের নামে নামে মানত করা শিরক। তবে মানত না করাই উত্তম।

    ®[সহিহ বুখারি: অধ্যায় : তাকদির]

     

    .

    রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরিরে

    পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্তু লটকানো শিরক।

    ®[তির্মিযি, আবু দাউদ ও হাকেম]

    .

    সকালে বেচাকেনা না করে কোন কাষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক!।

    ®(আবু দাউদঃ৩৯১০)

    .

    সফলতা কিংবা মংগল লাভের জন্য এবং অমংগল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যবহার করা শিরক।

    ®[সুরা আনাম:১৭, ইউনুস :১০৭]

    .

    যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক

    যেমন: পতাকা, স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার কিংবা মাজার ইত্যাদি।

    ®[সুরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮, আবু দাউদ:৪০৩৩]

    .

    আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদাত করা শিরক।

    ®[সুরা আনাম:১৬২, বাইয়িনাহঃ ৫, কাহফ:১১০,ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা নং৫২০৪]

    .

    আল্লাহ ব্যাতিত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক

    ®[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৬, আনাম:৫৯]

     

    .

    আল্লাহর ছাড়া কোন পির-আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দুয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক।

    ®[সুরা ফাতিহা:৪, আশ শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তির্মিযি]

    .

    “আপনি চাইলে এবং আল্লাহ চাইলে এই কাজটি হবে” এই কথা বলা শিরক

    ® (নাসাঈ শরিফ) এখানে শুধু অাল্লাহ্ চাইলে হবে, বলা যেতে পারে।

    .

    এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।

    .

    আল্লাহ বলেন, অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে শিরকও করে।

    ®(সুরা ইউসুফঃ ১০৬)

    .

    মনে রাখবেন,,

    শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কশ্চিনকালে ও ক্ষমা করবেন না।

    আল্লাহ বলেন,,

    নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না।

    ®(সুরা নিসা :৪৮,১১৬)

    ..

    নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন।

    ®(সুরা মায়িদাহ:৭২)

    .

    রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,

    “আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।

    ®[সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]

    .

    শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসত্মাক বিষয়। শত পাপ করলে ও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

     

    ঈমান ভঙ্গের দশটি কারণ-

     

    ——————————

    আমরা ওযু ভঙ্গের কারণ জানি, নামায ভঙ্গের কারণ জানি কিন্তু ঈমান ভঙ্গের কারণ জানি কি??

    এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় দুই মিনিট সময় ব্যয় করে একটু সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নিতে পারেন..! নিচে বিষয়গুলো সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো…!

    একঃ আস শিরক

    আল্লাহ তা’য়ালার ইবাদতে শরীক করা। এ ব্যাপারে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ আল্লাহ্ বলেছেন:

    “নিশ্চয় আল্লাহ্ তাঁর সাথে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না।ইহা ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন; এবং যে কেহ আল্লাহর সাথে শরীক করে সে এক মহা পাপ করে।”(সূরা নিসা ৪: আয়াত ৪৮)

     

    “…….কেহ আল্লাহর সাথে শরীক করলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত অবশ্যেই হারাম করবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম। যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।” (সূরা মায়িদা ৫: আয়াত ৭২)

    কেউ আল্লাহর সাথে যে বিভিন্ন প্রকার শরীক করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে অলিহাহ, আরবাব, আনদাদ ও তাগুত। বর্তমান কালের কয়েকটি বড় বড় শিরক সমূহের মধ্যে রয়েছে মাজার ও কবর পূজা, পীর ও আল্লাহর অলিরা গায়েব জানেন, অসুস্থকে সুস্থ করতে পারেন, বাচ্চা দিতে পারেন, বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারেন কিংবা আমাদের খবর জানেন ইত্যাদি ধারণা পোষণ করা।

    আল্লাহ্ একমাত্র আইন ও বিধান দাতা। কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন সমাজ, রাষ্ট্র, শিক্ষা, বিচার ব্যবস্থা, শাস্তি, অর্থনীতি কিভাবে চালাতে হবে এবং এ সমস্ত ব্যাপারে আল্লাহর দেয়া বিধানই প্রত্যেক মুসলিমের একমাত্র সংবিধান। যদি কেউ আল্লাহর দেয়া সংবিধানের উপর নিজেরা আইন তৈরী করে তবে তারা তাগুত(আল্লাহদ্রোহী, সীমালংঘনকারী)-তে পরিণত হবে। যারা তাগুতের তৈরী সংবিধানকে মানবে, তারা মানার বিষয়ে আল্লাহর সাথে শিরক্ করে মুশরিকে পরিণত হবে। এমনিভাবে আল্লাহর দেয়া শরীয়া আইন বাদ দিয়ে যে সমস্ত বিচারক মানুষের তৈরী করা আইন দিয়ে বিচার ফয়সালা করে তারাও তাগুত।এবং যে সকল লোক তাদের কাছে নিজের ইচ্ছার বিচার ফয়সালা নিয়ে যাবে তারাও শিরকের গুনাহতে লিপ্ত হয়ে ইসলাম থেকে বাদ পড়ে যাবে।

    দুই:মধ্যস্থতা ধরা

    যে ব্যক্তি তার নিজের এবং আল্লাহর মধ্যে মধ্যস্থতা ও যোগাযোগের মাধ্যম বানায় এবং তাদের কাছে তার মনোস্কামনা পূরণের(শাফায়া) জন্য আবেদন নিবেদন করে এবং তাদের উপর নির্ভর করে, সে কাফির (অবিশ্বাসী) হয়ে যায়। ইহাই অতীত ও বর্তমানের আলেমদের ইজমা।

    “তারা আল্লাহকে ব্যতিত যার ইবাদাত করে তা তাদের ক্ষতিও করতে পারে না,উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, ‘এইগুলি আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী।’ বল, ‘তোমরা কি আল্লাহকে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এমন কিছুর সংবাদ দিবে যা তিনি জানেন না?তিনি মহান, পবিত্র’ এবং তারা যাকে শরীক করে তা হতে তিনি উর্দ্ধে।”(সূরা ইউনুস ১০: আয়াত ১৮)

    “জেনে রাখ, অবিমিশ্র আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরুপে গ্রহণ করে তারা বলে, ‘আমরা তো এদের পূজা এজন্যই করি যে, ইহারা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে নিয়ে যাবে।’ তারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ তার ফয়সালা করে দিবেন। যে মিথ্যাবাদী ও কাফির আল্লাহ তাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।” (সূরা যুমার ৩৯:আয়াত ৩)

    এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ হবে যদি কোন ব্যক্তি মৃত বা জীবিত পীর(ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব) বা দরবেশের কাছে সন্তান দেয়ার বা মনের ইচ্ছা পূরণের জন্য প্রার্থনা করে; এছাড়া তাবীজ দিতে বলে আর বিশ্বাস স্থাপন করে পীরবাবার তাবীজে সে সুস্থ হবে অথবা মনের কামনা পূরণ হবে। এসকল কাজ দ্বারা আল্লাহ তা’য়ালা রুবুবিয়াতের সাথে পীরবাবা বা বুজুর্গকে শরীক করা হয়। ইহা সুস্পষ্ট শিরক্ যা কিনা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়।

     

    তিন: যে ব্যক্তি বহু্ইশ্বরবাদকে প্রত্যখান না করে বা বহুইশ্বরবাদী(মুশরীক) কাফির কিনা এমন সন্দেহ পোষণ করে সে কাফির হয়ে যায়। উদাহরণ স্বরূপ যদি কোন ব্যক্তি বলে যে, সে নিশ্চিত নয় একজন খৃষ্টান কাফির কিনা, তাহলে সে নিজেই কাফির হয়ে যায়। কারণ সে ঈসা(আ)-কে আল্লাহ হিসেবে গ্রহণকারী খৃষ্টানদের প্রত্যাখান করে নি।

     

    চার: যে ব্যক্তি মহানবী(সা) এর পরিপূর্ণতা ও দিক নির্দেশনা বা ফয়সালায় অবিশ্বাস করে সে কাফির। এর কারণ হচ্ছে আল্লাহর রাসূল(সা) ও তার ফয়সালা হচ্ছে সীরাতুল মুসতাক্কিমের উপর। আর যারা তাগুতের কাছে যাওয়া বেশি পছন্দ করে তারা সত্য সঠিক পথ হতে বহু দূরে। এই সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন,

    “কারও নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্য পথ অনুসরণ করে, তবে যে দিকে সে ফিরিয়া যায় সে দিকেই তাকে ফিরাইয়া দিব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শরীক করাকে ক্ষমা করবেন না; ইহা ব্যতিত সব কিছু যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, এবং কেহ আল্লাহর শরীক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়।” (সূরা নিসা ৪: আয়াত ১১৫-১১৬)

    এই আয়াত দ্বারা পরিষ্কার রুপে প্রমানিত হয় যে রাসূলের প্রদর্শিত পথের বিরোধীতা করা এবং মু’মিনের পথ ছেড়ে অন্য কোন পথ গ্রহণ করা শিরক। এর শাস্তি হচ্ছে নিকৃষ্ট স্থান জাহান্নাম। যদি কোন বিষয় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কথা দ্বারা প্রমাণিত হয়, তাহলে তা নিয়ে কানাঘুষা করা এবং তা ছেড়ে নিজের মনগড়া পথের বা অন্য কারোর অন্ধ অনুকরণে অন্য পথের আশ্রয় নেয়া সুস্পষ্ট শিরক। আল্লাহ শিরককে কখনই ক্ষমা করবেন না।

    পাঁচ: যে ব্যক্তি নবী মুহাম্মদ(সা) যা কিছু নিয়ে এসেছেন তাতে অসন্তুষ্ট হয় যদিও সে এ অনুযায়ী কাজ করে, সে কাফির হয়ে যায়। যেমন এক ব্যক্তি যে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে অথচ সে এগুলো করা অপছন্দ করে অথবা এমন এক মহিলা যে হিজাব পরে অথচ সে তা পরা অপছন্দ করে।

    মহান আল্লাহ বলেন-

    “আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা বলে,‘আমরা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান এনেছি’, কিন্তু তারা মু’মিন নয়।” (সূরা বাকারা ২; আয়াত ৮)

     

    “কিন্তু না, তোমার প্রতিপালকের শপথ! তারা মু’মিন হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ-বিসম্বাদের বিচার ভার তোমার(রাসূলের) উপর অর্পণ না করে; অত:পর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্ত:করণে মেনে য়ে।” (সূরা নিসা ৪: আয়াত ৬৫)

    ছয়: যে ব্যক্তি দ্বীনের আওতার কোন কিছুর ব্যাপারে উপহাস করে বা কৌতুক করে অথবা ইসলামের কোন পুরষ্কার বা শাস্তির ব্যাপারে ব্যাঙ্গ করে সে কাফির হয়ে যায়। এর প্রমাণ হচ্ছে—

     

    “এবং তুমি তাদেরকে প্রশ্ন করলে তারা নিশ্চয়ই বলবে, ‘আমারা তো আলাপ-আলোচনা ও ক্রীড়া-কৌতুক করছিলাম।’ বল, ‘তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর নিদর্শন ও তাঁর রাসূলকে বিদ্রুপ করছিলে?’ ‘তোমরা অযুহাত দেয়ার চেষ্টা করিও না। তোমরা তো ঈমান আনার পর কুফরী করেছ।….” (সূরা তওবা ৯ : আয়াত ৬৫-৬৬)

    সাত: আস সিহর বা জাদু

    সকল প্রকার যাদু নিষদ্ধ, কেউ এতে অংশগ্রহণ করুক, সময় ব্যয় করুক বা চর্চার প্রতি সহানুভূতিশীল হোক না কেন। যে ব্যক্তি জাদু চর্চা করে বা জাদুতে খুশী হয়, সে কাফির হয়ে যায়। কারণ আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন:

    “…সুলায়মান কুফরী করে নাই কিন্তু শয়তানরাই কুফরী করেছিল, তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত….।”(সূরা বাকারা ২ : আয়াত ১০২)

     

    আট: যে ব্যক্তি মুশরিককে(বহু ঈশ্বরবাদী কাফের-ইহুদী,খ্রিষ্টান প্রভৃতি) সাহায্য সমর্থন করে এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাকে সহয়তা করে সে কাফির হয়ে যায় কারণ তার কাছে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে এমন একজন মুসলিমের তুলনায় আল্লাহর শত্রু বেশী প্রিয়।ইহার প্রমাণ হচ্ছে মহান আল্লাহ তা’য়ালার এই কথা:

    “হে মু’মিনগণ! তোমাদের পিতা ও ভ্রাতা যদি ঈমানের মুকাবিলায় কুফরীকে শ্রেয় জ্ঞান করে, তবে তাদেরকে অন্তরঙ্গরুপে গ্রহণ করে না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে অন্তরঙ্গরুপে গ্রহণ করে, তারাই যালিম।” (সূরা তওবা ৯:আয়াত ২৩)

     

    “হে মু’মিনগণ! তোমরা ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করো না, তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেহ তাদেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই একজন হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।” (সূরা মায়িদা ৫ : আয়াত ৫১)

    নয়: যদি কোন ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে, সে শারিয়ার মধ্যে (আল্লাহর আইন) বিভিন্ন জিনিস যোগ করা বা কতিপয় বিষয় বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামের উন্নতি সাধন করতে পারব তাহলে সে কাফির হয়ে যায়।

    ইহার কারণ হচ্ছে আল্লাহ তা’য়ালার পরিপূর্ণভাবে সকল মানুষের জন্য তার নবী মুহাম্মদ(সা)-এর কাছে ইসলামের বাণী পাঠিয়েছেন এবং যদি কেউ এটা অস্বীকার করে তাহলে সে কুরআনের এই আয়াতের বিরুদ্ধে যায়:

     

    “…আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।…”(সূরা মায়িদা ৫: আয়াত ৩)

     

    দশ: মুহাম্মদ(সা)-এর প্রতি অবতীর্ণ বাণী শিক্ষা না করা অথবা সে অনুযায়ী কাজ না করার মাধ্যমে কেউ আল্লাহর বাণী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে সে ইসলামের গন্ডির বাহিরে চলে যায়। আল কুরানে এর প্রমাণ হচ্ছে-

    “যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী দ্বারা উপদিষ্ট হয়ে তা হতে মুখ ফিরিয়ে নেয় তার অপেক্ষা অধিক যালিম আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদের শাস্তি দিয়ে থাকি।” (সূরা সাজদা ৩২:আয়াত ২২)

     

    মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ আরো বলেছেন:

    “বল, ‘তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস তবে আমাকে অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ বল, ‘আল্লাহ ও রাসূলের অনুগত হও।’ যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে জেনে রাখ, আল্লাহ তো কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।” (সূরা আল ইমরান : ৩১-৩২)

    এইগুলোই দশটি বিষয় যা কোন ব্যক্তির ইসলামকে অকার্যকর করতে পারে এবং যদি সে তার ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত না হয় এবং সে মৃত্যু বরণ করার আগে আবার ইসলাম গ্রহণ না করে তাহলে সে একজন মুশরিক (পৌত্তলিক) বা একজন কাফিরের মৃত্যুবরণ করে, আর তার গন্তব্যস্থল হয় অনন্ত কালের জন্য দোজখের আগুন এবং কোনদিনও জাহান্নামের আগুন থেকে বের করা হবে না।

    ঈমানের সাথে সম্পর্কিত অতি প্রয়োজনীয় উপরে উল্লেখিত বিষায়াদির প্রতিটি মানুষের নিজে জানা, উপলদ্ধি করা এবং সেই সাথে অন্যকেও জানিয়ে দেয়া আমাদের প্রত্যেকের ঈমানী দায়িত্ব।

    আসুন আমরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হই এবং এই বক্তব্যটি অন্যর কাছে পৌঁছে দেই।

     

    আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।

     

    ®জাজাকাল্লাহ খাইরন [আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুক]

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 182
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 305
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 115 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

custom printed gazebo gazebo legs weights islam marquee banner oztrail deluxe gazebo oztrail marquee weights oztrail printed gazebo roofs poll pop up marquee printed gazebo canopies printed table cover question smocking teardrop banner flags তারাবি তাহাজ্জুদ নামাজ বিয়ে রোজা সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.