Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Forgot Password?

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy

Abdul Rahman chowdury

Begginer
Ask Abdul Rahman chowdury
0 Followers
0 Questions
  • About
  • Questions
  • Polls
  • Answers
  • Best Answers
  • Asked Questions
  • Followed
  • Favorites
  • Groups
  • Posts
  • Comments
  • Followers Questions
  • Followers Answers
  • Followers Posts
  • Followers Comments
  1. Asked: September 27, 2022In: Hadith

    মা জীবিত অবস্থায় উনার সাথে রাগারাগি করে কথা বলতাম এখন তিনি মারা গেছে এখন আমি কিভাবে ক্ষমা পেতে পারি

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:03 am

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়। রাসূল (সা.) তিRead more

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়।

    রাসূল (সা.) তিনটি কবিরা গুনাহের কথা বলেছেন, যেগুলো বড় বড় কবিরা গুনাহ। যেগুলো কঠিন কবিরা গুনাহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে একটা হচ্ছে, মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা, তাঁদের অবাধ্য হওয়া। এই কাজটি আসলেই অত্যন্ত গর্হিত কাজ। তাই যাদের এমনটি করা হয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত কোনোভাবেই তাঁদের কাছ থেকে ক্ষমা নেওয়ার সুযোগ হয়নি, তাদের করণীয় হচ্ছে দুটি।

    প্রথমত, প্রতিটি অপরাধ আল্লাহর বিধান লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেহেতু এটা আল্লাহর বিধান, তাই এখানে আল্লাহর নির্দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অপরাধ হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর বান্দা যখন কোনোভাবে তার অন্তরের মধ্যে অপরাধবোধ জাগ্রত হবে, সঙ্গে সঙ্গেই সে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করা শুরু করবে। আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয়ে কান্নাকাটি করে যদি তওবা করে, আল্লাহতায়ালা যদি সত্যিই সন্তুষ্ট হন, তাহলে আল্লাহ সব ক্ষমা করে দিতে পারেন। কারণ, তিনি তো উদার। তওবা করলে তিনি বান্দার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এ জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে আপনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করবেন যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এটা আমার ভুল হয়ে গেছে, আমাকে ক্ষমা করে দেন। যদি আপনি সত্যিকারভাবেই অনুতপ্ত হন, সত্যিকারভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে নিজেকে পেশ করতে পারেন, তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আপনার গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।

    দ্বিতীয়ত, মা-বাবার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা, তাঁদের জন্য, তাঁদের পক্ষ থেকে বেশি বেশি করে ওই আমলগুলো বা কাজগুলো করা যে কাজগুলো কেয়ামতের দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মা-বাবার আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যুক্ত করবেন বা আপনার পক্ষ থেকে তাঁদের আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যেগুলো আল্লাহতায়ালা যুক্ত করবেন। এ ধরনের কাজগুলো তাঁদের জন্য করা। এই ভালো কাজগুলোর মধ্যে আপনি সদকা করতে পারেন, হজ, ওমরাহ করাতে পারেন, সমাজকল্যাণমূলক কাজ, মাদ্রাসা করতে পারেন। যেগুলো করলে কেয়ামতের দিন তাঁদের আমলনামার মধ্যে এর নেক আমলগুলো তাঁরা পেয়ে যাবেন। কেয়ামতের দিন যখন মা-বাবা তাঁদের আমলনামায় দেখতে পাবেন যে তাঁরা এই আমল করেননি, তাঁরা অবাক হয়ে যাবেন। এত আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এত আমল করিনি। কারণ, প্রতিটি ব্যক্তি জানে সে কোন আমল নিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে হাজির হয়েছে। সেদিন মা-বাবা যখন দেখতে পাবেন যে আমি এত আমল করিনি, তখন আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, হে রাব্বুল আলামিন এই আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এগুলো করিনি।

    আল্লাহ তখন বলবেন, এগুলো তোমার সন্তানের আমল। কেয়ামতের দিন তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন । আপনার জন্য যে অসন্তুষ্টি তাঁরা দুনিয়া থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন, এই নেক আমল দেখে আপনার প্রতি সেই সন্তুষ্টি এসে যাবে। তখন তারা তাদের হক আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তালাশ করবে না, চাইবে না। আল্লাহর কাছে তারা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে না। তখন তাঁরা বলবেন, রাব্বুল আলামিন আমাদের সন্তান তো আমাদের জন্য করেছে, আমরা জানতাম না যে তারা আমাদের জন্য কিছু করেছে, কিন্তু তারা অনেক কিছু করেছে। তাদের ক্ষমা করে দিন। তারাও তখন তাঁদের সন্তানদের ক্ষমা করে দেবেন। এভাবেই আপনি আল্লাহ এবং পিতা-মাতা দুই পক্ষেরই যে হক সেটা আদায় করতে পারবেন। এ জন্য এই দুটি কাজ সুন্দরভাবে আনজাম দেওয়ার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহতায়ালা হয়তো আপনাকেও কেয়ামতের দিন তাঁদের সন্তুষ্টি অর্জনের পথ খুলে দেবেন।

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: October 11, 2022In: Quran

    মা এর খালাতো ভাইয়ের সামনে যাওয়া কি উচিত ? তারা কি মাহরাম ?

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:02 am

    আলহামদু লিল্লাহ।. মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।     নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলেRead more

    আলহামদু লিল্লাহ।.

    মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।

     

    May be an image of text that says 'মাহরাম চার্ট পুরুষদের ক্ষেত্রে মা মেয়ে বোন ताती ভাগ্নি দুধমা খালা ফুফু ভাতিজি সৎমা দাদী শ্বাস্ুড়ী ছেলের দুধ মেয়ে মহিলাদের ক্ষেত্রে বাবা ছেলে ভাই तাतা দুধ ভাই ভাগিনা মামা চাচা ভাতিজা দাদা শ্বশুড় সৎ ছেলে দুধ ছেলে মেয়ের জামাই এই ১৪ জন ছাড়া বাকি সকলের সাথে পর্দা করা ফরজ। না করাল কবিরা গুনাহ। একটি কবিরা গুনাহ জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।'

     

    নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলে। বোনের ছেলে।

    কিংবা দুধ পানের কারণে। যেমন- নারীর দুধ ভাই। দুধ-মা এর স্বামী।

    কিংবা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে। যেমন- মা এর স্বামী। স্বামীর পিতা, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। স্বামীর সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন।

    নীচে বিস্তারিতভাবে মোহরেমের পরিচয় তুলে ধরা হল:

    রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে যারা মাহরাম তাদের কথা সূরা নূর এ আল্লাহ্‌র এ বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে: “তারা যেন তাদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করে, তবে নিম্নোক্তদের সামনে ছাড়াস্বামী, বাপ, স্বামীর বাপ, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে…।[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] তাফসিরকারকগণ বলেন: নারীর রক্ত সম্পর্কীয় মাহরাম পুরুষগণ হচ্ছেন- এ আয়াতে যাদেরকে উল্লেখ করা হয়েছে কিংবা এ আয়াতে যাদের ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে; তারা হচ্ছে-

    এক: পিতাগণ। অর্থাৎ নারীর পিতাগণ, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। সেটা বাপের দিক থেকে হোক কিংবা মায়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ পিতাদের পিতারা হোক, কিংবা মাতাদের পিতারা হোক। তবে, স্বামীদের পিতাগণ বৈবাহিক সম্পর্কের দিক থেকে মাহরাম হবে, এ ব্যাপারে একটু পরে আলোচনা করা হবে।

    দুই: ছেলেরা। অর্থাৎ নারীর ছেলেরা। এদের মধ্যে সন্তানের সন্তানেরা অন্তর্ভুক্ত হবে, যত নীচের স্তরের হোক না কেন, সেটা ছেলের দিক থেকে হোক, কিংবা মেয়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ ছেলের ছেলেরা হোক কিংবা মেয়ের ছেলেরা হোক। পক্ষান্তরে, স্বামীর ছেলেরা: আয়াতে তাদেরকে ‘স্বামীর অন্য স্ত্রীর ছেলে’ বলা হয়েছে; তারা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে মাহরাম হবে; রক্ত সম্পর্কের কারণে নয়। একটু পরেই আমরা সেটা বর্ণনা করব।

    তিন: নারীর ভাই। সহোদর ভাই হোক; কিংবা বৈমাত্রেয় ভাই হোক; কিংবা বৈপিত্রীয় ভাই হোক।

    চার: ভ্রাতৃপুত্রগণ; যত নীচের স্তরের হোক না কেন, ছেলের দিক থেকে কিংবা মেয়ের দিক থেকে। যেমন- বোনের মেয়েদের ছেলেরা।

    পাঁচ: চাচা ও মামা। এ দুই শ্রেণী রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় হিসেবে মাহরাম। কিন্তু, উল্লেখিত আয়াতে তাদেরকে উল্লেখ করা হয়নি। কেননা তারা পিতামাতার মর্যাদায়। মানুষের কাছেও তারা পিতামাতার পর্যায়ভুক্ত। চাচাকে কখনও কখনও পিতাও বলা হয়। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: “তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বললঃ আমার পর তোমরা কার ইবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের ইবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।”[সূরা বাক্বারা, আয়াত: ১৩৩] ইসমাঈল (আঃ) ইয়াকুব (আঃ) এর সন্তানদের চাচা ছিলেন। [তাফসির আল-রাযি (২৩/২০৬), তাফসির আল-কুরতুবী (১২/২৩২, ২৩৩), তাফসির আল-আলুসি (১৮/১৪৩), ফাতহুল বায়ান ফি মাকাসিদ আল-কুরআন (৬/৩৫২)]

    দুধ পানের কারণে যারা মাহরাম:

    নারীর মাহরাম কখনও দুধ পানের কারণে সাব্যস্ত হতে পারে। তাফসিরে আলুসিতে এসেছে, যে মোহরেমের সামনে নারীর সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ সে মাহরাম রক্ত সম্পর্কের কারণে যেমন সাব্যস্ত হয় আবার দুধ পানের কারণেও সাব্যস্ত হয়। তাই, নারীর জন্যে তার দুধ পিতা ও দুধ সন্তান এর সামনে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ।[তাফসিরে আলুসি (১৮/১৪৩)] কেননা দুধ পান এর কারণে যারা মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের ন্যায়; এদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে নিষিদ্ধ। পূর্বোক্ত এই আয়াতটির তাফসির করাকালে ইমাম জাস্‌সাস এ দিকে ইশারা করে বলেন: “আল্লাহ্‌ তাআলা যখন পিতৃবর্গের সাথে সেসব মাহরামদেরও উল্লেখ করলেন যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন চিরতরে হারাম এতে করে এ প্রমাণ পাওয়া গেল যে, মাহরাম হওয়ার ক্ষেত্রে যে তাদের পর্যায়ে তার হুকুম তাদের হুকুমের মতই। যেমন- শাশুড়ি ও দুধ পান সম্পর্কীয় মাহরামবর্গ প্রমুখ।[আহকামুল কুরআন (৩/৩১৭)]

    রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়: হাদিসে এসেছে, রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়। এ হাদিসের অর্থ হল, বংশীয় সম্পর্কের কারণে যেমন কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়; তেমনি দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণেও কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়। সহিহ বুখারীতে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর আবু কুয়াইস এর ভাই আফলাহ একবার আয়েশা (রাঃ) এর সাথে দেখা করার অনুমতি চাইল; তিনি হচ্ছেন- আয়েশা (রাঃ) এর দুধ চাচা। কিন্তু, আয়েশা (রাঃ) অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন তখন আয়েশা (রাঃ) বিষয়টি জানালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অনুমিত দেয়ার নির্দেশ দেন।[সহিহ বুখারী শরহে কুসতুল্লানিসহ ৯/১৫০; ইমাম মুসলিমও এ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। সহিহ মুসলিমের ভাষায় “উরউয়া (রাঃ) আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাকে জানিয়েছেন যে, একবার তার দুধ চাচা ‘আফলাহ’ তার সাথে দেখা করার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু, তিনি তাকে বারণ করলেন। পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন: তার থেকে পর্দা করতে হবে না। কারণ রক্ত সম্পর্কের কারণে যে সব আত্মীয় মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কের কারণেও সেসব আত্মীয় মাহরাম হয়।[সহিহ মুসলিম বি শারহিন নাবাবি ১০/২২]

    নারীর দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয় রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের মত:

    ফিকাহবিদগণ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে স্পষ্টাভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দুগ্ধপানের কারণে যারা কোন নারীর মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মাহরামদের ন্যায়। তাই দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ; ঠিক যেভাবে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ। সে সব মোহরেমের জন্য উক্ত মহিলার ঐ সব অঙ্গ দেখা জায়েয আছে রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের জন্য যা কিছু দেখা জায়েয আছে।

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হয়:

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে সেসব পুরুষ মাহরাম হয় যাদের সাথে বিবাহ চিরতরে নিষিদ্ধ। যেমন, বাপের স্ত্রী, ছেলের বউ, স্ত্রীর মা।[শারহুল মুন্তাহা ৩/৭]

    অতএব, বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হবে: পিতার স্ত্রীর ক্ষেত্রে সে হবে এ নারীর অন্য ঘরের সন্তান। সন্তানের স্ত্রী যেহেতু তিনি পিতা। স্ত্রীর মা, যেহেতু তিনি স্বামী। আল্লাহ্‌ তাআলা সূরা আল-নূর এ বলেন: “আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র… ছাড়া কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে”[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] শ্বশুর, স্বামীর পুত্র বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে মাহরাম। আল্লাহ্‌ তাআলা এ শ্রেণীকে নারীর নিজের পিতা ও পুত্রের সাথে উল্লেখ করেছে এবং সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সমান বিধান দিয়েছেন।[আল-মুগনী (৬/৫৫৫)]

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: September 23, 2022In: Quran

    চোখের সমস্যা

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 23, 2022 at 10:56 pm

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা। অর্থ : হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নাই।

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা।

    অর্থ : হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নাই।

    See less
      • 4
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: September 23, 2022In: Basic Islam

    একটি কথা প্রচলিত আছে যে , বছর এ দুইবার কুরআন খতম দিতে হয়। এই কথা টি কতটুক সঠিক ?

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 23, 2022 at 10:50 pm
    This answer was edited.

    দুই খতম দেওয়া হক না, আরো অনেক বেশি। কোরআনের হক হচ্ছে মূলত ইমানদার ব্যক্তিরা অন্তত ৩০ দিনে একবার কোরআন খতম দেবেন। তাহলে অন্ততপক্ষে বার মাসে ১২ বার হয়। সুতরাং কোরআনের হক হচ্ছে অনেক বেশি। কিন্তু যাঁরা পারেন না তাঁরা যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন অধিক পরিমাণে কোরআন তিলাওয়াত এবং কোরআন খতম করার। https://www.youtuRead more

    দুই খতম দেওয়া হক না, আরো অনেক বেশি। কোরআনের হক হচ্ছে মূলত ইমানদার ব্যক্তিরা অন্তত ৩০ দিনে একবার কোরআন খতম দেবেন। তাহলে অন্ততপক্ষে বার মাসে ১২ বার হয়।

    সুতরাং কোরআনের হক হচ্ছে অনেক বেশি। কিন্তু যাঁরা পারেন না তাঁরা যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন অধিক পরিমাণে কোরআন তিলাওয়াত এবং কোরআন খতম করার।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: September 11, 2022In: Others

    আযান এর পর দোয়া

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 11, 2022 at 4:31 pm

    ইসলামে আজানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আজান শুনে আজানের জবাব দেওয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। আজান শ্রবণকারীরও মৌখিকভাবে আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.)  ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে। ’ (বুখারি, হাদিস: ৬১১)আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি আজানের জবাব দেওয়াRead more

    ইসলামে আজানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আজান শুনে আজানের জবাব দেওয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।

    আজান শ্রবণকারীরও মৌখিকভাবে আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.)  ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে। ’ (বুখারি, হাদিস: ৬১১)আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি
    আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো, মুয়াজ্জিন প্রত্যেকটি বাক্য বলে থামার পর শ্রোতা ওই বাক্যটি নিজেও অনুরূপভাবে বলবে। কিন্তু মুয়াজ্জিন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় শ্রোতা ‘লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ’ বলবে। এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৮৫)

    তবে কোনো কোনো বর্ণনায় ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময়ও মুয়াজ্জিনের অনুরূপ বলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। (কিতাবুদ দোয়া, তাবারানি, হাদিস: ৪৫৮)

    আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউমের জবাব
    ইসলামী ফিকহের বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনামতে, ফজরের আজানে ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’-এর জবাবে ‘সাদাকতা ও বারারতা’ পড়বে। কিন্তু হাদিস ও সুন্নাহে এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। তাই বিশুদ্ধ মতানুসারে এর জবাবেও মুয়াজ্জিনের অনুরূপ ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’ বলাই উত্তম। কেননা হাদিস শরিফে এসেছে, আজানের জবাবে তোমরাও মুয়াজ্জিনের অনুরূপ বলবে। (তাকরিরাতে রাফেয়ি: ১/৪৭ আহসানুল ফাতাওয়া: ১০/২০৬)

    প্রচলিত কিছু ভুল
    এক.
     কেউ কেউ আজানে ‘আল্লাহু আকবার’-এর জবাবে ‘জাল্লা জালালুহু’ পড়ে থাকে। এটি সুন্নাহপরিপন্থী। (ইমদাদুল আহকাম: ১/৪১৬)

    দুই. অনেকেই আজানের সময় জবাব দিতে গিয়ে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’-এর জবাবে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলে থাকে। এটিও উচিত নয়। কেননা এ সময় দরুদ পড়ার নির্দেশ নেই। বরং তখনো মুয়াজ্জিনের অনুরূপ ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’ বলাই সুন্নাত। (আলবাহরুর রায়েক: ১/২৭৩, আহসানুল ফাতাওয়া: ২/২৭৮)

    এই দরুদ পাঠ করবে আজান শেষ হওয়ার পর।
    তিন. আমাদের দেশে আজানে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’ বলার সময় অনেকেই বৃদ্ধাঙুলে চুমু খেয়ে চোখে মুছে থাকে। কেউ কেউ আবার সঙ্গে ‘কুররাত আইনি’—এ দোয়াও পড়ে থাকে। অথচ ইসলামী শরিয়তে এর কোনো প্রমাণ নেই। সুতরাং এটি বর্জনীয়। (আল মাকাসিদুল হাসানা, পৃষ্ঠা-৬০৬, ইমদাদুল ফাতাওয়া: ৫/২৫৯)

    চার. প্রসিদ্ধ আছে, আজানের জবাব না দিলে বা আজানের সময় কথা বললে বেঈমান হয়ে যায় কিংবা বেঈমান অবস্থায় মারা যাওয়ার ভয় আছে—এরূপ কোনো বর্ণনা হাদিসের কিতাবে নেই। সুতরাং এটি ভ্রান্ত বিশ্বাস। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ৫/৪৩০)

    যারা আজানের জবাব দেবে না
    নামাজ আদায়কারী, পানাহার অবস্থায়, ইস্তিনজাকারী, স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত, মহিলাদের ঋতুকালীন ইত্যাদি সময়। তবে অনেক আলেমের মতে, আজানের পরক্ষণেই যদি উল্লিখিত কাজ থেকে অবসর হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আজানের জবাব দিয়ে দেওয়া উত্তম। কোরআন তেলাওয়াতকারী তেলাওয়াত সাময়িক বন্ধ রেখে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। (আদ্দুররুল মুখতার: ১/৩৯৭)

    জুমার দ্বিতীয় আজানের জবাব
    জুমার দ্বিতীয় আজানের সময় যখন খতিব সাহেব মিম্বরে উপবিষ্ট থাকেন, তখন ফেকাহবিদদের নির্ভরযোগ্য মতানুযায়ী জুমার দ্বিতীয় আজানের জবাব মৌখিক না দেওয়াটাই উত্তম। তা সত্ত্বেও কেউ দিতে চাইলে মনে মনে জবাব দিতে পারে। (আদ্দুররুল মুখতার: ১/২৯৯, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ২/৫৮)

    আজানের সময় দুনিয়াবি কথা ও কাজে লিপ্ত থাকা
    আজানের সময় চুপ থাকা সুন্নত। একান্ত প্রয়োজন না হলে সাধারণ দ্বিনি ও দুনিয়াবি কথা বা কাজে লিপ্ত থাকা অনুচিত। বক্তৃতা বা সেমিনার চলাকালে আজান হলে সাময়িক তা স্থগিত রাখবে। ওয়াজ বা কোনো দ্বিনি মাহফিল চলাকালেও তা সাময়িক বন্ধ রেখে সবাইকে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। মনে রাখতে হবে, একজন আজানের জবাব দিলে সবার পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যায় না। কেননা আজানের জবাব দেওয়া শ্রবণকারী সব মুসলমানের জন্য সুন্নত। আর আজানের জবাব দেওয়া সুন্নতে কেফায়া নয়। (ফাতহুল কাদির: ১/২৪৮, রদ্দুল মুহতার: ১/৩৯৯, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ৫/৪২৭)

    রেডিও-টেলিভিশনের আজানের জবাব
    মুয়াজ্জিনের আজান রেডিও-টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তার জবাব দেওয়া সুন্নাত। রেকর্ড করা হলে তার জবাব দেওয়া সুন্নাত নয়। (বাদায়েউস সানয়ে : ১/৬৪৬, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল: ১/১৭০)

    আজানের পর দোয়া
    আজানের পর দরুদ শরিফ ও দোয়া পাঠ করা সুন্নাত। হাদিস শরিফে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আজানের পর আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ…’ এ দোয়াটি পাঠ করবে, তার জন্য আখিরাতে আমার সুপারিশ অবধারিত। ’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৪) অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘তোমরা মুয়াজ্জিনের অনুরূপ শব্দে আজানের জবাব দাও, অতঃপর দরুদ পাঠ করো, এরপর আমার জন্য বেহেশতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থানের জন্য দোয়া করো, আশা করি, আল্লাহ তাআলা আমাকেই সে স্থান দান করবেন। যে ব্যক্তি এ দোয়া করবে, তার জন্য আখিরাতে আমার সুপারিশ অবধারিত। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৩৮৪)

    আজানের পর হাত তুলে মুনাজাত
    আজানের পর দরুদ শরিফ পড়ে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা হাদিস শরিফে রয়েছে, তবে আজানের পর হাত তুলে দোয়া পড়া ও মুনাজাত করার কথা হাদিসে নেই। (ফয়জুল বারি : ২/১৬৭, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া: ১৬/২০৮)

    একামতের জবাব দেওয়াও মুস্তাহাব
    আজানের মতো মুসল্লিদের একামতের জবাব দেওয়াও মুস্তাহাব। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/৫৭) একামতের জবাবও আজানের অনুরূপ। শুধু একামতের মধ্যে ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’-এর জবাবে’ ‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’ বলবে। হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একবার হজরত বেলাল (রা.) একামত দিচ্ছিলেন, তখন নবী করিম (সা.)-ও তাঁর সঙ্গে আজানের অনুরূপ উত্তর দিয়েছেন, তবে ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ বলার সময় বলেন, ‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’। (আবু দাউদ, হাদিস: ৫২৮)

    লেখক: ফতোয়া গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: September 2, 2022In: Others

    বিবাহিত নারীর স্বামীর প্রতি কর্তব্য কি কি?

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 2, 2022 at 9:59 am

    স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক যত উত্তম ও মধুর হবে, দাম্পত্য জীবনে সুখ ও শান্তি তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। কুরআন এবং হাদিসের বিবরণ থেকে জানা যায় যে, উত্তম স্ত্রী হলো তারা, যারা স্বামীকে যথাযথ সম্মান করে কারণ পরস্পরের প্রতি যথাযথ সম্মানই দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভের উপায়। অতঃপর স্বামীর ধন-সম্পদ সংরক্ষণ করার পাশাপাRead more

    স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক যত উত্তম ও মধুর হবে, দাম্পত্য জীবনে সুখ ও শান্তি তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। কুরআন এবং হাদিসের বিবরণ থেকে জানা যায় যে, উত্তম স্ত্রী হলো তারা, যারা স্বামীকে যথাযথ সম্মান করে কারণ পরস্পরের প্রতি যথাযথ সম্মানই দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভের উপায়।

    অতঃপর স্বামীর ধন-সম্পদ সংরক্ষণ করার পাশাপাশি নিজেদের সতীত্ব রক্ষায় সতর্ক থাকে। স্বামীর উপস্থিত কিংবা অনুপস্থিতিতে এ দুটি কাজ স্ত্রীর প্রধান কর্তব্য।

    স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কতটা গাঢ় তার প্রমাণ কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা তা ঘোষণা করেন-
    ‘তারা তোমাদের পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের পোশাকস্বরূপ।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)

    সুতরাং স্ত্রীর উচিত স্বামীর উপস্থিত-অনুপস্থিত সর্বাবস্থায় নিজের ইজ্জত আব্রুর হেফাজত করা। স্বামীর আনন্দে নিজেকে সম্পৃক্ত করা। হাদিসে পাকে এসেছে-
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘উত্তম স্ত্রী হলো (সে-ই, যে) যখন তুমি তার দিকে তাকাও তখন সে তোমাকে আনন্দিত করে। যখন তাকে আদেশ কর তখন সে আনুগত্য করে আর যখন তুমি স্থানান্তরে যাও তখন সে তার ইজ্জত-আব্রু রক্ষা করে এবং সম্পদ হেফাযত করে।’

    তাছাড়া যে স্ত্রী ইসলামি শরিয়তের হুকুম-আহকাম মেনে চলে, স্বামীর আনুগত্য করে, তার খেদমত করে এবং নিজের সতীত্ব রক্ষা করে হাদিসে পাকে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। হাদিসে এসেছে-

    হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে, রমজান মাসের রোযা রাখে, লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং স্বামীর অনুগত থাকে; তাকে বলা হবে- তুমি যে দরজা দিয়ে চাও জান্নাতে প্রবেশ কর।’ (মুসনাদে আহমদ)

    আবার যে স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে উত্তম আচরণ করে না এবং স্বামীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তার সম্পর্কে হাদিসে কঠোরভাবে সতর্কতার কথা বলা হয়েছে।

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তার কোনো নামাজ কবুল হয় না, কোনো নেক আমল ওপরে উঠানো হয় না; যতক্ষণ স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট না হবে।’ (ইবনে হিব্বান)

    স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর আচরণ কেমন হবে তা প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে এক নারীর আলাপচারিতায় ফুটে ওঠেছে। হাদিসে এসেছে-

    হজরত হুসাইন ইবনে মুহসিন থেকে বর্ণিত, তাঁর এক ফুফু প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কোনো প্রয়োজনে এসেছিলেন। তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ হলে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি কি বিবাহিতা? তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ’। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি স্বামীর সঙ্গে কেমন আচরণ করে থাক? তিনি বললেন, আমি একেবারে অপারগ না হলে তার সেবা ও আনুগত্যে ত্রুটি করি না।

    তখন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘স্বামীর সঙ্গে তোমার আচরণ কেমন তা ভেবে দেখ। কারণ স্বামীই তোমার জান্নাত কিংবা জাহান্নাম।’ (মুসনাদে আহমদ)

    কুরআন হাদিসের আলোকে বুঝা যায় যে, স্বামী-স্ত্রীর সুসম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি লাভেই শুধু জরুরি নয় বরং পরকালের সফলতায়ও খুবই জরুরি।

    তাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। বিশেষ করে স্বামীর উপস্থিত ও অনুপস্থিত সর্বাবস্থায় স্বামীর অধিকারগুলো রক্ষা করা স্ত্রীর জন্য আবশ্যক কর্তব্য।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব স্বামী-স্ত্রীকে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবন-যাপন করার তাওফিক দান করুন। স্ত্রীদেরকে স্বামীর হকসমূহ যথাযথ রক্ষা করার মাধ্যমে দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
      • 3
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: September 1, 2022In: Basic Islam

    ফরজ গোসল দেয়ার সঠিক নিয়ম জানা একান্ত জরুরী।

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on September 2, 2022 at 9:50 am

    ফরজ গোসল : ফরজ গোসল ওই গোসলকে বলা হয়, যা করা অপরিহার্য। বালেগ বয়সে নাপাক হলে অর্থাৎ কারো স্বপ্নদোষ হলে বা স্বামী-স্ত্রীর মিলনে গোসল ফরজ হয়। আর তা থেকে পবিত্রতা অর্জনের তাগীদ দিয়ে আল্লাহ বলেন: যদি তোমরা নাপাক হয়ে থাক, তবে গোসল কর। [সূরা মায়েদাহ: ৬] অনেকেই ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাRead more

    ফরজ গোসল :
    ফরজ গোসল ওই গোসলকে বলা হয়, যা করা অপরিহার্য। বালেগ বয়সে নাপাক হলে অর্থাৎ কারো স্বপ্নদোষ হলে বা স্বামী-স্ত্রীর মিলনে গোসল ফরজ হয়। আর তা থেকে পবিত্রতা অর্জনের তাগীদ দিয়ে আল্লাহ বলেন: যদি তোমরা নাপাক হয়ে থাক, তবে গোসল কর। [সূরা মায়েদাহ: ৬]

    অনেকেই ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারেন না। ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অসংখ্য মুসলিমের নানা আমল কবুল হয় না। অথচ নামাজের জন্য পবিত্রতা অর্জন করা ফরজ।

    আল্লাহ বলেন- হে ঈমানদার গণ! নামাযের ধারে-কাছে যেয়ো না যখন তোমরা নেশা অবস্থায় মাতাল হয়ে থাকো, যে পর্যন্ত না তোমরা বুঝো কি তোমরা বলছো, অথবা যৌন-সম্ভোগ করার পরবর্তী অবস্থায়, যতক্ষণ না গোসল করেছ। [সূরা আন’নিসা : ৪৩ ]

    নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য নামাজের বাইরে যে রুকুনগুলো আছে তন্মধ্যে শরীর পাক, কাপড় পাক ও জায়গা পাক হওয়ার কথাও আছে। হাদীসে আছে যে অপবিত্র শরীরে, কাপড়ে ও বিছানাপত্রে নামায হয় না। [মিশকাত : ২৬২]

    যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়
    ১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।
    ২. স্বপ্নের কথা স্মরণ থাকুক বা না থাকুক শরীরে, কাপড়ে বা বিছানায় বীর্যের চিহ্ন দেখতে পেলে।
    ৩. নারী-পুরুষ মিলনে সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক।
    ৪. মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব (হায়িয) বন্ধ হলে।
    ৫. নিফাস (সন্তান প্রসবের পর যে রক্ত স্রাব হয় তা) শেষ হলে।
    ৬. ইসলাম গ্রহণ করলে (নব-মুসলিম হলে)।
    ৭. স্ত্রী-পুরুষ কারও উত্তেজনার সাথে বীর্য বের হলে ফরজ গোসল ছাড়া নামাজ হবে না।

    গোসলের ফরজ তিনটি
    ১. একবার কুলি করা ফরজ।
    ১. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিস্কার করা ফরজ।
    ৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো ফরজ।

    গোসলের সুন্নত
    ১. তিনবার কুলি করা সুন্নত।
    ২. তিনবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিস্কার করা সুন্নাত।
    ৩. সমস্ত শরীরে তিনবার পানি ঢেলে ভালো করে ঘষে পরিস্কার করা সুন্নাত।

    গোসলের আরও সুন্নাত
    ১. গোসলের নিয়ত করা।
    ২. গোসলের শুরুতে দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত ধোয়া।
    ৩. পেশাব পায়খানার রাস্তা পরিস্কার করা।
    ৪. শরীরের কোনো স্থানে নাপাকী থাকলে তা ধোয়া।
    ৫. অজু করা।
    ৬. পানি জমে থাকে এমন স্থানে গোসল করলে, গোসলের পর সেই স্থান থেকে সরে গিয়ে পা ধোয়া।

    যার উপর গোসল ফরজ হয়েছে, সে যদি গোসলের একটা ফরজ বাদ দিয়ে শতবার গোসল করে, তবু তার শরীর নাপাক থেকে যাবে।

    ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
    গোসলের পদ্ধতি : গোসলের পূর্বে পেশাব করে নেওয়া উচিত। ফরজ গোসলের জন্য-

    ১. গোসলের জন্য মনে মনে নিয়ত করতে হবে।
    ২. প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধৌত করতে হবে।
    ৩. এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধৌত করতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধৌত করতে হবে।
    ৪. এবার বাম হাতকে ভালো করে ধৌত করতে হবে।
    ৫. তারপর ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ওজুর নিয়মের মত করে ওজু করতে হবে অর্থাৎ “বিসমিল্লাহ” বলে ডান হাতে পানি নিয়ে উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধোয়া, তিনবার কুলি করা, তিনবার নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়া, কপালের গোড়া হতে দুই কানের লতি ও থুঁতনির নীচ পর্যন্ত, প্রথমে ডান হাত ও পরে বাম হাত তিনবার ধোয়া (আংগুলে আংটি থাকলে, মেয়েদের হাতে, কানে, নাকে গহনা থাকলে তা নেড়ে-চেড়ে ভিজিয়ে নেয়া, সম্পূর্ণ মাথা মাসেহ করা।
    ৬. অতঃপর প্রথমে মাথায় তিনবার (৩ অঞ্জলি) পানি ঢেলে চুলের গোড়ায় খিলাল করে ভালভাবে পানি পৌঁছাবে।
    ৭. এবার সমস্ত শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ৩ বার ডানে তারপরে ৩ বার বামে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধৌত করতে হবে, যেন শরীরের কোন অংশই বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। গোসল এমনভাবে করতে হবে, যাতে বগল, নাভী ও কানের ছিদ্র পর্যন্ত বাহিরের পানি দ্বারা ভিঁজে যায়। অতপর আবার সমস্ত শরীরে পানি ঢালবে।
    ৮. সবার শেষে একটু অন্য জায়গায় সরে গিয়ে দুই পা ৩ বার ভালোভাবে ধৌত করতে হবে।
    মনে রাখতে হবে

    পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজঁতে হবে। গোসলের সময় মেয়েদের মাথার খোপা খোলার দরকার নেই। কেবল চুলের গোড়ায় তিনবার তিন চুল্লু পানি পৌঁছাতে হবে।

    এই নিয়মে গোসলের পর নতুন করে আর ওজুর দরকার নাই, যদি ওজু না ভাঙ্গে। কেননা হযরত ‘আয়েশা রা. বলেন, নবী মুহাম্মদ সা. ফরজ গোসলের পর আর ওযূ করতেন না। [তিরমিযী : ১০৩, মিশকাত : ৪০৯]

    রাসূল সা. এক মুদ্দ (৬২৫ গ্রাম) পানি দিয়ে ওযূ এবং অনধিক পাঁচ মুদ্দ (৩১২৫ গ্রাম) বা প্রায় সোয়া তিন কেজি পানি দিয়ে গোসল করতেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অপচয় করা ঠিক নয়।

    নারী হউক পুরুষ হউক সকলকে রাসূলুল্লাহ সা. পর্দার মধ্যে গোসল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    ফরজ গোসলে অবহেলার শাস্তি :
    হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি আমার এক প্রতিবেশীর জানাজায় যোগদান করি। তার লাশ কবরে নামানোর সময় বিড়ালের ন্যায় একটি অদ্ভুত জানোয়ার কবরের ভিতরে বাইরে লম্বঝম্প করে লাশ কবরে নামাতে বাধার সৃষ্টি করতে লাগলো। সেটিকে তাড়াবার জন্য সকলে মিলে চেষ্টা করলাম। কিন্তু কোনো প্রকারই দূর করা গেল না। ব্যর্থ হয়ে অন্যত্র গিয়ে কবর খনন করা হল। সেখানে গিয়ে জন্তুটি ভয়ানক উৎপাত করতে লাগলো। সেটিকে মারতে গিয়েও সর্ব প্রকার চেষ্টা ব্যর্থ হলো।

    অগত্যা বাধ্য হয়ে অন্যত্র গিয়ে তৃতীয় কবর খনন করা হল। সেখানে গিয়েও জন্তুটি আরও বেশি উপদ্রব শুরু করলো। অনন্যোপায় হয়ে আমরা তাড়াতাড়ি তৃতীয় কবরেই তাকে দাফন করতঃ সভয়ে দ্রুতপদে সেখানে হতে প্রস্থান করলাম। দাফনান্তে কবর হতে বজ্রবৎ ভীষণ এক আওয়াজ বের হয়েছিল। আমি জানার জন্য তার স্ত্রীর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, তার স্ত্রী উত্তর দিলো, সহবাসের পর তিনি ফরজ গোসলে অবহেলা করতেন। এতে তার ফজরের নামাজ কাজা হয়ে যেতো। এছাড়া তার অন্য কোনো পাপ আমি কখনো দেখি নাই।

    See less
      • 5
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  8. Asked: August 10, 2022In: Others

    সাদকা নিয়ে প্রশ্ন

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on August 10, 2022 at 8:18 pm
    This answer was edited.

    একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার হয়ে সদকা করলে কবুল হয়? হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মা হঠাৎ মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি কোনো ওসিয়ত করে যেতে পারেননি। আমার ধারণা তিনি যদি কথা বলার সুযোগ পেতেন, তাহলেRead more

    • একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার হয়ে সদকা করলে কবুল হয়?

    হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মা হঠাৎ মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি কোনো ওসিয়ত করে যেতে পারেননি। আমার ধারণা তিনি যদি কথা বলার সুযোগ পেতেন, তাহলে দান সদকা করতেন। আমি তার পক্ষ থেকে দান সদকা করলে কি তিনি এর সওয়াব পাবেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই পাবেন। (বুখারি ও মুসলিম)

    এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কেউ যদি দান সদকা করে তাহলে সে তার সওয়াব পাবেন এবং এর দ্বারা তিনি উপকৃত হবেন।

     

    • মৃত ব্যক্তির হয়ে তার জন্য হজ্জ্ব করলে তা কবুল হবে?

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তিকে এভাবে তালবিয়া পাঠ করতে শুনলেন, আমার শুবরুমার পক্ষ থেকে এ হজ্জ। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, শুবরুমা কে? লোকটি বলল, সে আমার ভাই, অথবা বলল সে আমার আত্মীয়।
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার নিজের হজ আদায় করেছ? সে বলল না, করিনি। (তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন) আগে তোমার নিজের হজ কর। তারপর শুবরুমার হজ কর।
    এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, নিজের হজ আদায় করার পর অন্য মৃত ব্যক্তির নামে হজ আদায় করলে সে তার সওয়াব পাবেন এবং এর দ্বারা তিনি উপকৃত হবেন।

     

    • জীবিত ব্যক্তির হয়ে তার কল্যাণ চেয়ে সদকা করা যায়?

    অন্যের পক্ষ থেকে সদকা করলে সে সদকার ব্যাপারে ঐ ব্যক্তিকে জানানো ওয়াজিব নয়। অনুরূপভাবে শুধু নিকটাত্মীয়ের পক্ষ থেকে সে সদকা হওয়া শর্ত নয়। বরং আত্মীয় বা অনাত্মীয় যে কোন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সদকা করা জায়েয।‘নাইলুল মাআবির বি শারহি দালিলিত তালিব’ (১/২৩৭) গ্রন্থে এসেছে- জীবিত বা মৃত মুসলমানের জন্য যদি কোন মুসলিম নেক কাজ করে এর সওয়াব উৎসর্গ করে মুসলিম সে সওয়াব পাবে। যদিও সে মুসলিম না জানে কে তার জন্য নেক কাজটি করল। এমন নেক কাজের মধ্যে রয়েছে- দুআ ও ইসতিগফার। সমাপ্ত

    শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন: পিতামাতার জন্য বা অপর কারো জন্য সদকা করলে কবুল হয় এবং উপকার দেয়। অতএব, জীবিত মৃত উভয়ের জন্য সদকার মধ্যে বহু কল্যাণ রয়েছে। সমাপ্ত নুরুন (১৪/৩০৩) আলাদ দারব থেকে]

    See less
      • 3
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  9. Asked: July 9, 2022In: Hadith

    আকীকা ছেলেদের ক্ষেত্রে

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on July 14, 2022 at 2:36 pm

    হ্যাঁ, যদি সামর্থ্য না থাকার কারণে কেউ একটি ছাগল দেয় তাহলে তার আকিকা হয়ে যাবে। আর যদি দুটি একবারে দিতে সামর্থ্য না থাকে, তাহলে একটি ছাগল প্রথমে দিল পরে আরেকটি দিল— সেটাও তার জন্য জায়েজ রয়েছে। দুটি দিলেও তার আকিকা হয়ে যাবে এবং একটি দিলেও আকিকা হয়ে যাবে। কিন্তু সুন্নাহ হচ্ছে, যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে দRead more

    হ্যাঁ, যদি সামর্থ্য না থাকার কারণে কেউ একটি ছাগল দেয় তাহলে তার আকিকা হয়ে যাবে। আর যদি দুটি একবারে দিতে সামর্থ্য না থাকে, তাহলে একটি ছাগল প্রথমে দিল পরে আরেকটি দিল— সেটাও তার জন্য জায়েজ রয়েছে। দুটি দিলেও তার আকিকা হয়ে যাবে এবং একটি দিলেও আকিকা হয়ে যাবে। কিন্তু সুন্নাহ হচ্ছে, যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে দুটিই দিতে হবে। দুটি দেওয়া হচ্ছে নবী করিম (সা.)-এর নির্দেশনা। একটি দিলেও তার আকিকা হয়ে যাবে, যেহেতু তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহের কাজ হয়ে গেছে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ জবেহ করা হয়ে গেছে এজন্য তার আকিকাও হয়ে গেছে।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  10. Asked: July 2, 2022In: Others

    Translation

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on July 2, 2022 at 9:46 am

    Working on it. InShaAllah, very soon I will add the translation feature in community section.

    Working on it. InShaAllah, very soon I will add the translation feature in community section.

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
1 2 3

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 172
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 298
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 111 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

bio conversion convert custom printed marquee gps tracking device los angeles islam life style poll prayer ques question questions জামাতে নামাজ তারাবি তাহাজ্জুদ নামাজ বিয়ে মহিলা রোজা সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.