Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Forgot Password?

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy

Admin

Explainer
Ask Admin
6 Followers
0 Questions
  • About
  • Questions
  • Polls
  • Answers
  • Best Answers
  • Asked Questions
  • Groups
  • Posts
  • Comments
  1. Asked: March 23, 2024In: Basic Islam

    Masjid for Women

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on March 23, 2024 at 5:10 am

    Wa Alaikum Assalam! First and foremost, congratulations on your journey into Islam. It's wonderful to hear about your interest in visiting your local masjid. Feeling nervous is completely natural, but remember that mosques are welcoming places meant for spiritual growth and community. When visitingRead more

    Wa Alaikum Assalam! First and foremost, congratulations on your journey into Islam. It’s wonderful to hear about your interest in visiting your local masjid. Feeling nervous is completely natural, but remember that mosques are welcoming places meant for spiritual growth and community.

    When visiting a masjid, there are some general guidelines to keep in mind, but specifics can vary based on local practices and the type of mosque. Here are some tips to help you feel more at ease:

    1. Dress Modestly: For women, this typically means covering your body with loose clothing and wearing a headscarf (hijab). Men are also expected to dress modestly, typically wearing long pants and shirts that cover the shoulders.
    2. Remove Your Shoes: Mosques require you to remove your shoes before entering the prayer area. There will usually be shoe racks at the entrance for this purpose.
    3. Entrance: Some mosques have separate entrances for men and women. If this is the case, the entrances will usually be marked. If you’re unsure, don’t hesitate to ask someone or observe where others are going.
    4. Prayer Area: In many mosques, the main prayer hall is primarily for men, and there may be a separate area designated for women. Again, this can vary, so look for signs or ask if you’re unsure.
    5. Respect the Prayer Times: If you do visit during prayer times, perform wudu and pray the salah.
    6. Connect with the Community: Don’t hesitate to introduce yourself to someone and mention that you’re a new convert and visiting for the first time. Many mosques have committees or individuals dedicated to helping newcomers and converts. They can provide you with valuable resources, support, and friendship.
    7. Ask Questions: If you’re unsure about anything, ask. The Muslim community is generally very supportive and will be more than happy to help you.

    Remember, Mosques are places of worship and community, and you’re taking a beautiful step by wanting to be a part of that. May your visit to the masjid be a peaceful and enriching experience, Insha’Allah. 🙏🏼

    See less
      • 9
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: September 27, 2022In: Hadith

    মা জীবিত অবস্থায় উনার সাথে রাগারাগি করে কথা বলতাম এখন তিনি মারা গেছে এখন আমি কিভাবে ক্ষমা পেতে পারি

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:03 am

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়। রাসূল (সা.) তিRead more

    মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা অত্যন্ত বড় গুনাহ। আল্লাহর নবী (সা.) তিন দল লোকের কথা বলেছেন, যারা জান্নাতে যাবে না। তাদের একদল হচ্ছে, যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই কোনো সন্দেহ নেই, এই অপরাধ বড় অপরাধ। বড় অন্যায়।

    রাসূল (সা.) তিনটি কবিরা গুনাহের কথা বলেছেন, যেগুলো বড় বড় কবিরা গুনাহ। যেগুলো কঠিন কবিরা গুনাহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে একটা হচ্ছে, মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, অসদাচরণ করা, তাঁদের অবাধ্য হওয়া। এই কাজটি আসলেই অত্যন্ত গর্হিত কাজ। তাই যাদের এমনটি করা হয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত কোনোভাবেই তাঁদের কাছ থেকে ক্ষমা নেওয়ার সুযোগ হয়নি, তাদের করণীয় হচ্ছে দুটি।

    প্রথমত, প্রতিটি অপরাধ আল্লাহর বিধান লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেহেতু এটা আল্লাহর বিধান, তাই এখানে আল্লাহর নির্দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অপরাধ হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর বান্দা যখন কোনোভাবে তার অন্তরের মধ্যে অপরাধবোধ জাগ্রত হবে, সঙ্গে সঙ্গেই সে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করা শুরু করবে। আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয়ে কান্নাকাটি করে যদি তওবা করে, আল্লাহতায়ালা যদি সত্যিই সন্তুষ্ট হন, তাহলে আল্লাহ সব ক্ষমা করে দিতে পারেন। কারণ, তিনি তো উদার। তওবা করলে তিনি বান্দার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। এ জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে আপনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তওবা করবেন যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এটা আমার ভুল হয়ে গেছে, আমাকে ক্ষমা করে দেন। যদি আপনি সত্যিকারভাবেই অনুতপ্ত হন, সত্যিকারভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে নিজেকে পেশ করতে পারেন, তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আপনার গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।

    দ্বিতীয়ত, মা-বাবার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা, তাঁদের জন্য, তাঁদের পক্ষ থেকে বেশি বেশি করে ওই আমলগুলো বা কাজগুলো করা যে কাজগুলো কেয়ামতের দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মা-বাবার আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যুক্ত করবেন বা আপনার পক্ষ থেকে তাঁদের আমলনামায় সওয়াব হিসেবে যেগুলো আল্লাহতায়ালা যুক্ত করবেন। এ ধরনের কাজগুলো তাঁদের জন্য করা। এই ভালো কাজগুলোর মধ্যে আপনি সদকা করতে পারেন, হজ, ওমরাহ করাতে পারেন, সমাজকল্যাণমূলক কাজ, মাদ্রাসা করতে পারেন। যেগুলো করলে কেয়ামতের দিন তাঁদের আমলনামার মধ্যে এর নেক আমলগুলো তাঁরা পেয়ে যাবেন। কেয়ামতের দিন যখন মা-বাবা তাঁদের আমলনামায় দেখতে পাবেন যে তাঁরা এই আমল করেননি, তাঁরা অবাক হয়ে যাবেন। এত আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এত আমল করিনি। কারণ, প্রতিটি ব্যক্তি জানে সে কোন আমল নিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে হাজির হয়েছে। সেদিন মা-বাবা যখন দেখতে পাবেন যে আমি এত আমল করিনি, তখন আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, হে রাব্বুল আলামিন এই আমল আমার কীভাবে এলো? আমি তো এগুলো করিনি।

    আল্লাহ তখন বলবেন, এগুলো তোমার সন্তানের আমল। কেয়ামতের দিন তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন । আপনার জন্য যে অসন্তুষ্টি তাঁরা দুনিয়া থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন, এই নেক আমল দেখে আপনার প্রতি সেই সন্তুষ্টি এসে যাবে। তখন তারা তাদের হক আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তালাশ করবে না, চাইবে না। আল্লাহর কাছে তারা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে না। তখন তাঁরা বলবেন, রাব্বুল আলামিন আমাদের সন্তান তো আমাদের জন্য করেছে, আমরা জানতাম না যে তারা আমাদের জন্য কিছু করেছে, কিন্তু তারা অনেক কিছু করেছে। তাদের ক্ষমা করে দিন। তারাও তখন তাঁদের সন্তানদের ক্ষমা করে দেবেন। এভাবেই আপনি আল্লাহ এবং পিতা-মাতা দুই পক্ষেরই যে হক সেটা আদায় করতে পারবেন। এ জন্য এই দুটি কাজ সুন্দরভাবে আনজাম দেওয়ার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহতায়ালা হয়তো আপনাকেও কেয়ামতের দিন তাঁদের সন্তুষ্টি অর্জনের পথ খুলে দেবেন।

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: October 11, 2022In: Quran

    মা এর খালাতো ভাইয়ের সামনে যাওয়া কি উচিত ? তারা কি মাহরাম ?

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on October 11, 2022 at 2:02 am

    আলহামদু লিল্লাহ।. মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।     নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলেRead more

    আলহামদু লিল্লাহ।.

    মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পর্দা না করা জায়েয।

     

    May be an image of text that says 'মাহরাম চার্ট পুরুষদের ক্ষেত্রে মা মেয়ে বোন ताती ভাগ্নি দুধমা খালা ফুফু ভাতিজি সৎমা দাদী শ্বাস্ুড়ী ছেলের দুধ মেয়ে মহিলাদের ক্ষেত্রে বাবা ছেলে ভাই तাतা দুধ ভাই ভাগিনা মামা চাচা ভাতিজা দাদা শ্বশুড় সৎ ছেলে দুধ ছেলে মেয়ের জামাই এই ১৪ জন ছাড়া বাকি সকলের সাথে পর্দা করা ফরজ। না করাল কবিরা গুনাহ। একটি কবিরা গুনাহ জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।'

     

    নারীর জন্য মাহরাম হচ্ছে ঐসব পুরুষ যাদের সাথে উক্ত নারীর বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে হারাম; সেটা ঘনিষ্ট আত্মীয়তার কারণে। যেমন পিতা, যত উপরের স্তরে হোক না কেন। সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন। চাচাগণ। মামাগণ। ভাই। ভাই এর ছেলে। বোনের ছেলে।

    কিংবা দুধ পানের কারণে। যেমন- নারীর দুধ ভাই। দুধ-মা এর স্বামী।

    কিংবা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে। যেমন- মা এর স্বামী। স্বামীর পিতা, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। স্বামীর সন্তান, যত নীচের স্তরের হোক না কেন।

    নীচে বিস্তারিতভাবে মোহরেমের পরিচয় তুলে ধরা হল:

    রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে যারা মাহরাম তাদের কথা সূরা নূর এ আল্লাহ্‌র এ বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে: “তারা যেন তাদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করে, তবে নিম্নোক্তদের সামনে ছাড়াস্বামী, বাপ, স্বামীর বাপ, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে…।[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] তাফসিরকারকগণ বলেন: নারীর রক্ত সম্পর্কীয় মাহরাম পুরুষগণ হচ্ছেন- এ আয়াতে যাদেরকে উল্লেখ করা হয়েছে কিংবা এ আয়াতে যাদের ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে; তারা হচ্ছে-

    এক: পিতাগণ। অর্থাৎ নারীর পিতাগণ, যত উপরের স্তরের হোক না কেন। সেটা বাপের দিক থেকে হোক কিংবা মায়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ পিতাদের পিতারা হোক, কিংবা মাতাদের পিতারা হোক। তবে, স্বামীদের পিতাগণ বৈবাহিক সম্পর্কের দিক থেকে মাহরাম হবে, এ ব্যাপারে একটু পরে আলোচনা করা হবে।

    দুই: ছেলেরা। অর্থাৎ নারীর ছেলেরা। এদের মধ্যে সন্তানের সন্তানেরা অন্তর্ভুক্ত হবে, যত নীচের স্তরের হোক না কেন, সেটা ছেলের দিক থেকে হোক, কিংবা মেয়ের দিক থেকে হোক। অর্থাৎ ছেলের ছেলেরা হোক কিংবা মেয়ের ছেলেরা হোক। পক্ষান্তরে, স্বামীর ছেলেরা: আয়াতে তাদেরকে ‘স্বামীর অন্য স্ত্রীর ছেলে’ বলা হয়েছে; তারা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে মাহরাম হবে; রক্ত সম্পর্কের কারণে নয়। একটু পরেই আমরা সেটা বর্ণনা করব।

    তিন: নারীর ভাই। সহোদর ভাই হোক; কিংবা বৈমাত্রেয় ভাই হোক; কিংবা বৈপিত্রীয় ভাই হোক।

    চার: ভ্রাতৃপুত্রগণ; যত নীচের স্তরের হোক না কেন, ছেলের দিক থেকে কিংবা মেয়ের দিক থেকে। যেমন- বোনের মেয়েদের ছেলেরা।

    পাঁচ: চাচা ও মামা। এ দুই শ্রেণী রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয় হিসেবে মাহরাম। কিন্তু, উল্লেখিত আয়াতে তাদেরকে উল্লেখ করা হয়নি। কেননা তারা পিতামাতার মর্যাদায়। মানুষের কাছেও তারা পিতামাতার পর্যায়ভুক্ত। চাচাকে কখনও কখনও পিতাও বলা হয়। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: “তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বললঃ আমার পর তোমরা কার ইবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের ইবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।”[সূরা বাক্বারা, আয়াত: ১৩৩] ইসমাঈল (আঃ) ইয়াকুব (আঃ) এর সন্তানদের চাচা ছিলেন। [তাফসির আল-রাযি (২৩/২০৬), তাফসির আল-কুরতুবী (১২/২৩২, ২৩৩), তাফসির আল-আলুসি (১৮/১৪৩), ফাতহুল বায়ান ফি মাকাসিদ আল-কুরআন (৬/৩৫২)]

    দুধ পানের কারণে যারা মাহরাম:

    নারীর মাহরাম কখনও দুধ পানের কারণে সাব্যস্ত হতে পারে। তাফসিরে আলুসিতে এসেছে, যে মোহরেমের সামনে নারীর সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ সে মাহরাম রক্ত সম্পর্কের কারণে যেমন সাব্যস্ত হয় আবার দুধ পানের কারণেও সাব্যস্ত হয়। তাই, নারীর জন্যে তার দুধ পিতা ও দুধ সন্তান এর সামনে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ।[তাফসিরে আলুসি (১৮/১৪৩)] কেননা দুধ পান এর কারণে যারা মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের ন্যায়; এদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক চিরতরে নিষিদ্ধ। পূর্বোক্ত এই আয়াতটির তাফসির করাকালে ইমাম জাস্‌সাস এ দিকে ইশারা করে বলেন: “আল্লাহ্‌ তাআলা যখন পিতৃবর্গের সাথে সেসব মাহরামদেরও উল্লেখ করলেন যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন চিরতরে হারাম এতে করে এ প্রমাণ পাওয়া গেল যে, মাহরাম হওয়ার ক্ষেত্রে যে তাদের পর্যায়ে তার হুকুম তাদের হুকুমের মতই। যেমন- শাশুড়ি ও দুধ পান সম্পর্কীয় মাহরামবর্গ প্রমুখ।[আহকামুল কুরআন (৩/৩১৭)]

    রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়: হাদিসে এসেছে, রক্ত সম্পর্কীয় কারণে যারা যারা মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণে তারা তারাই মাহরাম হয়। এ হাদিসের অর্থ হল, বংশীয় সম্পর্কের কারণে যেমন কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়; তেমনি দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারণেও কিছু লোক নারীর মাহরাম হয়। সহিহ বুখারীতে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর আবু কুয়াইস এর ভাই আফলাহ একবার আয়েশা (রাঃ) এর সাথে দেখা করার অনুমতি চাইল; তিনি হচ্ছেন- আয়েশা (রাঃ) এর দুধ চাচা। কিন্তু, আয়েশা (রাঃ) অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন তখন আয়েশা (রাঃ) বিষয়টি জানালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অনুমিত দেয়ার নির্দেশ দেন।[সহিহ বুখারী শরহে কুসতুল্লানিসহ ৯/১৫০; ইমাম মুসলিমও এ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। সহিহ মুসলিমের ভাষায় “উরউয়া (রাঃ) আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাকে জানিয়েছেন যে, একবার তার দুধ চাচা ‘আফলাহ’ তার সাথে দেখা করার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু, তিনি তাকে বারণ করলেন। পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন: তার থেকে পর্দা করতে হবে না। কারণ রক্ত সম্পর্কের কারণে যে সব আত্মীয় মাহরাম হয় দুগ্ধ সম্পর্কের কারণেও সেসব আত্মীয় মাহরাম হয়।[সহিহ মুসলিম বি শারহিন নাবাবি ১০/২২]

    নারীর দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয় রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের মত:

    ফিকাহবিদগণ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে স্পষ্টাভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দুগ্ধপানের কারণে যারা কোন নারীর মাহরাম হয় তারা রক্ত সম্পর্কীয় মাহরামদের ন্যায়। তাই দুগ্ধ সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ; ঠিক যেভাবে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে সাজ-সজ্জা প্রকাশ করা বৈধ। সে সব মোহরেমের জন্য উক্ত মহিলার ঐ সব অঙ্গ দেখা জায়েয আছে রক্ত সম্পর্কীয় মোহরেমের জন্য যা কিছু দেখা জায়েয আছে।

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হয়:

    বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে সেসব পুরুষ মাহরাম হয় যাদের সাথে বিবাহ চিরতরে নিষিদ্ধ। যেমন, বাপের স্ত্রী, ছেলের বউ, স্ত্রীর মা।[শারহুল মুন্তাহা ৩/৭]

    অতএব, বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা মাহরাম হবে: পিতার স্ত্রীর ক্ষেত্রে সে হবে এ নারীর অন্য ঘরের সন্তান। সন্তানের স্ত্রী যেহেতু তিনি পিতা। স্ত্রীর মা, যেহেতু তিনি স্বামী। আল্লাহ্‌ তাআলা সূরা আল-নূর এ বলেন: “আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র… ছাড়া কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে”[সূরা নূর, আয়াত: ৩১] শ্বশুর, স্বামীর পুত্র বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে মাহরাম। আল্লাহ্‌ তাআলা এ শ্রেণীকে নারীর নিজের পিতা ও পুত্রের সাথে উল্লেখ করেছে এবং সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সমান বিধান দিয়েছেন।[আল-মুগনী (৬/৫৫৫)]

    See less
      • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: August 10, 2022In: Others

    সাদকা নিয়ে প্রশ্ন

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on August 10, 2022 at 8:18 pm
    This answer was edited.

    একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার হয়ে সদকা করলে কবুল হয়? হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মা হঠাৎ মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি কোনো ওসিয়ত করে যেতে পারেননি। আমার ধারণা তিনি যদি কথা বলার সুযোগ পেতেন, তাহলেRead more

    • একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার হয়ে সদকা করলে কবুল হয়?

    হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মা হঠাৎ মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি কোনো ওসিয়ত করে যেতে পারেননি। আমার ধারণা তিনি যদি কথা বলার সুযোগ পেতেন, তাহলে দান সদকা করতেন। আমি তার পক্ষ থেকে দান সদকা করলে কি তিনি এর সওয়াব পাবেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই পাবেন। (বুখারি ও মুসলিম)

    এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কেউ যদি দান সদকা করে তাহলে সে তার সওয়াব পাবেন এবং এর দ্বারা তিনি উপকৃত হবেন।

     

    • মৃত ব্যক্তির হয়ে তার জন্য হজ্জ্ব করলে তা কবুল হবে?

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তিকে এভাবে তালবিয়া পাঠ করতে শুনলেন, আমার শুবরুমার পক্ষ থেকে এ হজ্জ। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, শুবরুমা কে? লোকটি বলল, সে আমার ভাই, অথবা বলল সে আমার আত্মীয়।
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার নিজের হজ আদায় করেছ? সে বলল না, করিনি। (তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন) আগে তোমার নিজের হজ কর। তারপর শুবরুমার হজ কর।
    এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, নিজের হজ আদায় করার পর অন্য মৃত ব্যক্তির নামে হজ আদায় করলে সে তার সওয়াব পাবেন এবং এর দ্বারা তিনি উপকৃত হবেন।

     

    • জীবিত ব্যক্তির হয়ে তার কল্যাণ চেয়ে সদকা করা যায়?

    অন্যের পক্ষ থেকে সদকা করলে সে সদকার ব্যাপারে ঐ ব্যক্তিকে জানানো ওয়াজিব নয়। অনুরূপভাবে শুধু নিকটাত্মীয়ের পক্ষ থেকে সে সদকা হওয়া শর্ত নয়। বরং আত্মীয় বা অনাত্মীয় যে কোন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সদকা করা জায়েয।‘নাইলুল মাআবির বি শারহি দালিলিত তালিব’ (১/২৩৭) গ্রন্থে এসেছে- জীবিত বা মৃত মুসলমানের জন্য যদি কোন মুসলিম নেক কাজ করে এর সওয়াব উৎসর্গ করে মুসলিম সে সওয়াব পাবে। যদিও সে মুসলিম না জানে কে তার জন্য নেক কাজটি করল। এমন নেক কাজের মধ্যে রয়েছে- দুআ ও ইসতিগফার। সমাপ্ত

    শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন: পিতামাতার জন্য বা অপর কারো জন্য সদকা করলে কবুল হয় এবং উপকার দেয়। অতএব, জীবিত মৃত উভয়ের জন্য সদকার মধ্যে বহু কল্যাণ রয়েছে। সমাপ্ত নুরুন (১৪/৩০৩) আলাদ দারব থেকে]

    See less
      • 3
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: July 2, 2022In: Others

    Translation

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on July 2, 2022 at 9:46 am

    Working on it. InShaAllah, very soon I will add the translation feature in community section.

    Working on it. InShaAllah, very soon I will add the translation feature in community section.

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: June 28, 2022In: Basic Islam

    দোয়া বাংলায় পড়া যাবে কি?

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on June 28, 2022 at 8:19 am

    ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলায় দোয়া করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে ভাষা সবসময় আরবি হতে হবে, এই কথা দুনিয়ার কোনো আলেম বলেননি। তাই আপনি যেকোনো ভাষাতেই আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে পারেন। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলায় দোয়া করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে ভাষা সবসময় আরবি হতে হবে, এই কথা দুনিয়ার কোনো আলেম বলেননি। তাই আপনি যেকোনো ভাষাতেই আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে পারেন। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: June 6, 2022In: Hadith

    দাড়িয়ে প্রস্রাব করা

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on June 6, 2022 at 8:21 pm

    স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পRead more

    স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পেশাব করা জায়েজ আছে।

    কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় বা বিকল্প ব্যবস্থা থাকা অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ।

    যেসব কারণে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা সমর্থন করে না ইসলাম ও বিজ্ঞান

    প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন। ফিকহের পরিভাষায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে মাকরূহে তাহরিমি বলে অভিহিত করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে-

    ওমর (রা.) বলেন- হজরত মুহাম্মদ (সা.) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি। (তিরমীযি হাদীস/১২)

    হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু (রা.)বলেন, তোমাদের মাঝে যারা বলে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, তাদের কথা বিশ্বাস করো না। কেননা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসেই প্রস্রাব করতেন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-১২, মুজামে ইবনে আসাকীর, হাদীস নং-৩৬৬।

    অন্য হাদিসে এসেছে, প্রস্রাবের কারণে মানুষের কবরে আজাব হয়। তাই প্রিয়নবী প্রস্রাবের অপবিত্রতা থেকে নিজেদেরকে হেফাজতের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

    দাড়িয়ে প্রস্রাব করা সম্পর্কে ইসলামের নিষেধকে চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশেষভাবে সমর্থন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে-

    ক্ষতিকর দিক:-

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। তাই অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে দুষিত পদার্থগুলো মুত্রথলিতে জমতে থাকে; দীর্ঘদিন জমতে থাকা দুষিত পদার্থগুলো এক সময় কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষণ পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায় ।

    # যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই ।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে ।

    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সুন্নতি জীবন পরিচালনার মাধ্যমে দুনিয়ার শান্তি ও পরকালের মুক্তির তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
      • 4
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 172
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 297
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 111 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

bio conversion convert custom printed marquee gps tracking device los angeles islam life style poll prayer ques question questions জামাতে নামাজ তারাবি তাহাজ্জুদ নামাজ বিয়ে মহিলা রোজা সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.