Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.
Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.
Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
দোয়া বাংলায় পড়া যাবে কি?
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলায় দোয়া করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে ভাষা সবসময় আরবি হতে হবে, এই কথা দুনিয়ার কোনো আলেম বলেননি। তাই আপনি যেকোনো ভাষাতেই আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে পারেন। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলায় দোয়া করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে ভাষা সবসময় আরবি হতে হবে, এই কথা দুনিয়ার কোনো আলেম বলেননি। তাই আপনি যেকোনো ভাষাতেই আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে পারেন। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
See lessদাড়িয়ে প্রস্রাব করা
স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পRead more
স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পেশাব করা জায়েজ আছে।কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় বা বিকল্প ব্যবস্থা থাকা অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ।
যেসব কারণে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা সমর্থন করে না ইসলাম ও বিজ্ঞান
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন। ফিকহের পরিভাষায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে মাকরূহে তাহরিমি বলে অভিহিত করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে-
ওমর (রা.) বলেন- হজরত মুহাম্মদ (সা.) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি। (তিরমীযি হাদীস/১২)
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু (রা.)বলেন, তোমাদের মাঝে যারা বলে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, তাদের কথা বিশ্বাস করো না। কেননা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসেই প্রস্রাব করতেন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-১২, মুজামে ইবনে আসাকীর, হাদীস নং-৩৬৬।
অন্য হাদিসে এসেছে, প্রস্রাবের কারণে মানুষের কবরে আজাব হয়। তাই প্রিয়নবী প্রস্রাবের অপবিত্রতা থেকে নিজেদেরকে হেফাজতের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।
দাড়িয়ে প্রস্রাব করা সম্পর্কে ইসলামের নিষেধকে চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশেষভাবে সমর্থন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে-
ক্ষতিকর দিক:-
# দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। তাই অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।
# দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।
# দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে দুষিত পদার্থগুলো মুত্রথলিতে জমতে থাকে; দীর্ঘদিন জমতে থাকা দুষিত পদার্থগুলো এক সময় কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।
# দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষণ পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায় ।
# যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই ।
# দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সুন্নতি জীবন পরিচালনার মাধ্যমে দুনিয়ার শান্তি ও পরকালের মুক্তির তাওফিক দান করুন। আমিন।
See lessWatching Cartoon Animated Movie
https://www.youtube.com/watch?v=8xpGxh2Ygg0
কেন দোয়া কুনুত পড়া হয়?
আল্লাহ তাআলার পছন্দনীয় ইবাদতের মধ্যে অন্যতম হলো দোয়া। হাদিসের ভাষায় দোয়া-ই হলো ইবাদত। আবার ইবাদতের মূল হলো দোয়া বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে। বিতর নামাজের যে দোয়া পড়া হয় তা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত। মানুষ বিতর নামাজের দোয়া কুনুতে কি পড়ে? কেনই বা দোয়া কুনুত পড়া হয়? এ দোয়া পড়ার উদ্দেশ্যই বা কী? অনেক অরRead more
আল্লাহ তাআলার পছন্দনীয় ইবাদতের মধ্যে অন্যতম হলো দোয়া। হাদিসের ভাষায় দোয়া-ই হলো ইবাদত। আবার ইবাদতের মূল হলো দোয়া বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিতর নামাজের যে দোয়া পড়া হয় তা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত। মানুষ বিতর নামাজের দোয়া কুনুতে কি পড়ে? কেনই বা দোয়া কুনুত পড়া হয়? এ দোয়া পড়ার উদ্দেশ্যই বা কী?
অনেক অর্থসমৃদ্ধ একটি শব্দ কুনুত। এ শব্দ দ্বারা নিরবতা, সালাত, কিয়াম ও ইবাদত ইত্যাদি বুঝায়। এখানে উদ্দশ্য হলো নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
মানুষ যখন বিপদ ও মুসিবতে পড়ে তখনই এ দোয়া করে থাকে। বিতরের নামাজের তৃতীয় রাকাআতে সুরা ফাতেহা পড়ে অন্য সুরা মেলানোর পর তাকবিরের মাধ্যমে এ দোয়া পড়তে হয়।
হাদিসে পাকে একাধিক দোয়া কুনুত রয়েছে। তবে বিখ্যাত সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিভিন্ন বর্ণনার আলোকে বর্ণিত দোয়া কুনুতটি হলো-
اللّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ، اللّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ.
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতায়িনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা ওয়া নুমিনুবিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইরা ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাতরুকু মাইয়্যাফঝুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা নাবুদু, ওয়া লাকা নুসাল্লি ওয়া নাসঝুদু, ওয়া ইলাইকা নাসআ ওয়া নাহফিদু, নারঝু রাহমাতাকা ও নাখশা আজাবাকা, ইন্না আজাবাকা বিল-কুফ্ফারি মুলহিক্ব।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমরা তোমারই সাহায্য চাই। তোমার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি। তোমার ওপর ঈমান আনি। তোমার ওপরই ভরসা করি। আর তোমার প্রশংসা করি। আমরা তোমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। অকৃতজ্ঞ হই না। যে তোমার নাফরমানী করে, আমরা তাকে ত্যাগ করি, বর্জন করি।
হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি, তোমারই জন্য নামাজ পড়ি এবং সেজদা করি। তোমারই দিকে ধাবিত হই এবং তোমারই আনুগত্য করি। তোমার রহমতের আশা রাখি আর তোমার আজাবকে ভয় করি। নিশ্চয়ই তোমার আজাব কাফেরদের ধরে ফেলবে।’
দোয়া কুনুতে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগানের সঙ্গে তার কাছে দুনিয়া ও পরকালের একান্ত কল্যাণ কামনা করে মানুষ। যা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দোয়া কুনুত যথাযথভাবে পড়ার এবং দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
See lessতাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার উত্তম সময় কোনটি?
মধ্যরাতের পরে বা রাতের দুই-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হলে তাহাজ্জুদ নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়। সাহরির সময় শেষ হলে তথা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শেষ হয়।
মধ্যরাতের পরে বা রাতের দুই-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হলে তাহাজ্জুদ নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়। সাহরির সময় শেষ হলে তথা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শেষ হয়।
See less