Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: June 2, 2022In: Hadith

    ব্যাখা চাই

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on June 14, 2022 at 6:35 pm

    খুব সম্ভবত ‘শৌচাগারে থেকে অযু করা জায়েজ নয়’ এই ব্যাপারে ইঙ্গিত করে কিছু বুঝাতে রসুলুল্লাহ ﷺ এভাবে বলেছেন কথাটা।

    খুব সম্ভবত ‘শৌচাগারে থেকে অযু করা জায়েজ নয়’ এই ব্যাপারে ইঙ্গিত করে কিছু বুঝাতে রসুলুল্লাহ ﷺ এভাবে বলেছেন কথাটা।

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: June 6, 2022In: Hadith

    দাড়িয়ে প্রস্রাব করা

    Admin
    Best Answer
    Admin Explainer
    Added an answer on June 6, 2022 at 8:21 pm

    স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পRead more

    স্বাভাবিক অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ। কিন্তু যদি এমন স্থানে পেশাব করতে হয়, যেখানে দাঁড়িয়ে ছাড়া করা সম্ভব নয়। যেমন দাঁড়িয়ে পেশাব করার বুথ ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, এমন আবর্জনাময় স্থান যে, এখানে বসে পেশাব করলে শরীরে নাপাক লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি উজর থাকলে উপরোক্ত সময় দাঁড়িয়ে পেশাব করা জায়েজ আছে।

    কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় বা বিকল্প ব্যবস্থা থাকা অবস্থায় দাড়িয়ে পেশাব করা মাকরূহ।

    যেসব কারণে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা সমর্থন করে না ইসলাম ও বিজ্ঞান

    প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন। ফিকহের পরিভাষায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে মাকরূহে তাহরিমি বলে অভিহিত করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে-

    ওমর (রা.) বলেন- হজরত মুহাম্মদ (সা.) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি। (তিরমীযি হাদীস/১২)

    হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু (রা.)বলেন, তোমাদের মাঝে যারা বলে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, তাদের কথা বিশ্বাস করো না। কেননা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসেই প্রস্রাব করতেন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-১২, মুজামে ইবনে আসাকীর, হাদীস নং-৩৬৬।

    অন্য হাদিসে এসেছে, প্রস্রাবের কারণে মানুষের কবরে আজাব হয়। তাই প্রিয়নবী প্রস্রাবের অপবিত্রতা থেকে নিজেদেরকে হেফাজতের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

    দাড়িয়ে প্রস্রাব করা সম্পর্কে ইসলামের নিষেধকে চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশেষভাবে সমর্থন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে-

    ক্ষতিকর দিক:-

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। তাই অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে দুষিত পদার্থগুলো মুত্রথলিতে জমতে থাকে; দীর্ঘদিন জমতে থাকা দুষিত পদার্থগুলো এক সময় কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষণ পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায় ।

    # যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই ।

    # দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে ।

    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সুন্নতি জীবন পরিচালনার মাধ্যমে দুনিয়ার শান্তি ও পরকালের মুক্তির তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
      • 4
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: June 1, 2022In: Basic Islam

    সামাজিক সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে ইসলামি বিধান

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on June 4, 2022 at 6:44 pm

    রক্তদান হ’ল কোন প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬০) সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়ার প্রক্রিয়া। এই দান করা রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয় অথবা অংশীকরণের মাধ্যমে ঔষধে পরিণত করা হয়। রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত অস্থিমজ্জা (Bon Marrow) নতুন রক্ত কণিকা তৈরীর জন্য উদ্Read more

    রক্তদান হ’ল কোন প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬০) সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়ার প্রক্রিয়া। এই দান করা রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয় অথবা অংশীকরণের মাধ্যমে ঔষধে পরিণত করা হয়। রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত অস্থিমজ্জা (Bon Marrow) নতুন রক্ত কণিকা তৈরীর জন্য উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তদান করার দুই/তিন সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্ত কণিকার জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ করে। অজ্ঞতার কারণে অনেকেই রক্তদানকে ক্ষতিকর মনে করে। কিন্তু এ ধারণা একেবারেই ভুল। বছরে ৩ বার রক্তদান করলে শরীরে লোহিত কণিকাগুলো প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন রক্তকণিকা তৈরীর হার বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য, রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বছরে দুইবার রক্ত দেয়। অন্যদের তুলনায় তাদের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। বিশেষ করে ফুসফুস, লিবার, কোলন, পাকস্থলী ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে অনেক কম পরিলক্ষিত হয়। নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্ত দানের মাধ্যমে নিজের শরীরে বড় কোন রোগ আছে কিনা তা বিনা খরচেই জানা যায়। যেমন- হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি ইত্যাদি।

    প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের নিয়মিত রক্তদান করে রক্ত সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলা উচিত। জনৈক কবি বলেছেন,

    ‘সময় তুমি হার মেনেছ রক্তদানের কাছে

    দশটি মিনিট করলে খরচ একটি জীবন বাঁচে’।

    উল্লিখিত পঙতি দু’টিতে কবি যথার্থ কথাই বলেছেন। রক্ত দান এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, অনেক সময় এমন পরিস্থিতির ক্লু সৃষ্টি হয় মাত্র ১/২ ব্যাগ রক্ত হ’লেই আল্লাহর রহমতে রোগী বেঁচে যেতে পারে। কেননা রক্তের বিকল্প আজও কোন কিছু আবিষ্কৃত হয়নি। থ্যালাসেমিয়া রোগী, অপারেশনের রোগী, এ্যাক্সিডেন্টে রক্ত শূন্য হয়ে মৃত্যু পথযাত্রীসহ এমন সংকটময় মুহূর্তে মাত্র এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বাঁচতে পারে একটি প্রাণ। আর এ প্রাণ বাঁচানো এমনই পুণ্যময় কাজ যে, মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন একজন লোককে বাঁচানোকে সমগ্র মানব জাতিকে বাঁচানোর সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন,وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيْعًا ‘আর যে ব্যক্তি কারু জীবন রক্ষা করে, সে যেন সকল মানুষের জীবন রক্ষা করে’ (মায়েদাহ ৫/৩২)।

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, وَاللهُ فِى عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِى عَوْنِ أَخِيهِ، ‘আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে ততক্ষণ পর্যন্ত সাহায্য করতে থাকেন যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে’।[41]

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: May 30, 2022In: Hadith

    হাদিসের ব্যাখা

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on June 1, 2022 at 2:35 pm

    হাদীস শরীফে এসেছেঃ عَنْ جَابِرٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ : نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَنْ يَنْتَعِلَ الرَّجُلُ قَائِمًا . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে জুতা পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।Read more

    হাদীস শরীফে এসেছেঃ

    عَنْ جَابِرٍ – رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ – قَالَ : نَهَى رَسُولُ اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – أَنْ يَنْتَعِلَ الرَّجُلُ قَائِمًا . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

    জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে জুতা পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।
    (সহীহ : আবূ দাঊদ ৪১৩৫, ইবনু মাজাহ ৩৬১৮-৩৬১৯, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৭১৯, তিরমিযী ১৭৭৫, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৩০৭৭, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক ২০২১৮, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৪৯৩৬, শু‘আবুল ঈমান ৬২৭৩

    ব্যাখ্যাঃ

    تحفة الأحوذي بشرح جامع الترمذي
    ( وهو قائم ) جملة حالية قال الخطابي إنما نهى عن لبس النعل قائما لأن لبسها قاعدا أسهل عليه يزال له وربما كان ذلك سببا لانقلابه إذا لبسها قائما . فأمر بالقعود له والاستعانة باليد فيه ليأمن غائلته . وقال المظهر : هذا فيما يلحقه التعب في لبسه كالخف والنعال التي تحتاج إلى شد شراكها
    সারমর্মঃ
    ‘আল্লামা খত্ত্বাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে জুতা পড়তে নিষেধ করেছেন । এর কারণ হলো, বসে জুতা পরিধান করা অনেক সহজ। অন্যদিকে দাঁড়িয়ে জুতা পরিধান করা উল্টে পড়ে যাওয়ার কারণও হতে পারে এবং শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে জুতা পরিধান করার নির্দেশ দিয়েছেন যাতে নিরাপদে তা পরিধানে হাতের সাহায্য গ্রহণ করা যায়। আল্লাহ অধিক জানেন। (‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৪১৩১)

    حاشية السندي على ابن ماجه
    قوله ( قائما ) قيل أي في الصلاة وقيل مخصوص بما إذا لحقه مشقة في لبسه قائما كالخف والنعال المحتاجة إلى شد شراكها .
    কেহ কেহ বলেছেন যে এই নিষেধাজ্ঞা নামাজের ভিতরে।
    কেহ কেহ বলেছেন যে এই নিষেধাজ্ঞা ঐ সময়ের সাথে নির্দিষ্ট,যখন দাঁড়িয়ে জুতা পরিধান করতে কষ্ট হয় যেমনঃ মোজা, ঐ সমস্ত জুতা,যেগুলোর ফিতা বাধতে হয়।

    ★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
    ফিতা,বেল্ট যুক্ত জুতা,যেগুলো এমনিতেই দাড়িয়ে পরিধান করা কষ্টকর,সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
    এটি মাকরুহ।

    পক্ষান্তরে যেগুলো এমন নহে,যেমন জুতা-স্যান্ডেল দাঁড়িয়ে অনায়াসে পরা যায়,ফিতা নেই।
    সেগুলোর ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

    (আল্লাহ-ই ভালো জানেন)
    ————————
    মুফতী ওলি উল্লাহ

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Asked: May 29, 2022In: Basic Islam

    Basic islam

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on May 29, 2022 at 7:21 am

    ইসলামের দৃষ্টিতে রোজার নিয়তে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকার নাম রোজা। সেহরি খাওয়া রোজার জন্য শর্ত নয়। তাই সেহরি না খেলেও রোজা হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন, সেহরি খাওয়া সুন্নত। অল্প খেলেও সুন্নত পালন হয়ে যাবে। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, সেহরি খাওয়ার মাঝে রয়েছেRead more

    ইসলামের দৃষ্টিতে রোজার নিয়তে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকার নাম রোজা। সেহরি খাওয়া রোজার জন্য শর্ত নয়। তাই সেহরি না খেলেও রোজা হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন, সেহরি খাওয়া সুন্নত। অল্প খেলেও সুন্নত পালন হয়ে যাবে।

    হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, সেহরি খাওয়ার মাঝে রয়েছে অনেক বরকত। যারা সাহরি খায়, তাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর দয়া ও ফেরেশতাদের দোয়া। তাই সেহরিকে সুন্নত মনে করে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা উচিত।

    তবে আপনি যেই সময়টির কথা বলছেন তা মনেহয় ফজরের আজানের পরের সময়। এই বিষয়টি একটু দেখবেন। সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব। তবে এত দেরি করবে না যে, সুবহে সাদিক হওয়ার ব্যাপারে আশঙ্কা হয় এবং রোজার ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।

    তথ্যসূত্র: সুরা বাকারা, আয়াত নং-১৮৭, বোখারি শরিফ, হাদিস নং-১৯২৩ ,মুসলিম শরিফ, হাদিস নং-১০৯৫ ,সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৩৪৬৭, হেদায়া, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২১৬।

    See less
      • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  6. Asked: May 26, 2022In: Basic Islam

    পর্ণ আসক্তি

    Anonymous
    Anonymous
    Added an answer on May 26, 2022 at 10:35 am

    প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই, আলহামদুলিল্লাহ, আপনি চূড়ান্তভাবে এ থেকে মুক্তি চান জেনে আমরা খুশি হয়েছি। আমরা আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করি তিনি যেন, আপনাকে সে তাওফিক দেন। এটা যে জঘন্য হারাম এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিধা নেই। এর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট যে, পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ব্যক্তি এটা অনুভব করে যে, সে ভুল কাজ করছে এবং মRead more

    প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই, আলহামদুলিল্লাহ, আপনি চূড়ান্তভাবে এ থেকে মুক্তি চান জেনে আমরা খুশি হয়েছি। আমরা আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করি তিনি যেন, আপনাকে সে তাওফিক দেন। এটা যে জঘন্য হারাম এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিধা নেই। এর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট যে, পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ব্যক্তি এটা অনুভব করে যে, সে ভুল কাজ করছে এবং মানুষের কাছ থেকে এটাকে লুকিয়ে রাখে, মানুষের সামনে এটাকে প্রকাশ করতে পারে না। এ ধরণের কাজ হারাম হওয়ার দলিল হিসেবে এটাই যথেষ্ট। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

    الْإِثْمُ مَا حَاكَ فِي صَدْرِكَ وَكَرِهْتَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِ النَّاسُ

    গুনাহ হল যা তোমার অন্তরে খটকা তৈরী করে এবং মানুষ সেটা জেনে যাওয়াকে তুমি অপছন্দ কর। (সহিহ মুসলিম ২৫৫৩)

    পর্ণগ্রাফির অনেক অপকারিতা রয়েছে; যেমন—

    — এগুলো নিয়মিত দেখার ফলে অন্তরের ওপর প্রভাব ফেলে। আপনি যতক্ষণ এটি দেখতে থাকেন, ততক্ষণের প্রতিটি সেকেন্ডে সেকেন্ডে আপনার অন্তরে একের পর এক অব্যাহতভাবে কালো ফোঁটা পড়তে থাকে এবং এভাবে অন্তর একেবারে কালো হয়ে যায় এবং ঈমান দুর্বল হয়ে যায়। যার ফলে নেক আমলের প্রতি অনীহা চলে আসে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

    إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا أَخْطَأَ خَطِيئَةً نُكِتَتْ فِي قَلْبِهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ ، فَإِذَا هُوَ نَزَعَ وَاسْتَغْفَرَ وَتَابَ سُقِلَ قَلْبُهُ ، وَإِنْ عَادَ زِيدَ فِيهَا حَتَّى تَعْلُوَ قَلْبَهُ وَهُوَ الرَّانُ الَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ : كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ

    বান্দা যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরের মধ্যে একটি কালো চিহ্ন পড়ে। অতঃপর যখন সে গুনাহর কাজ পরিহার করে, ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তাওবাহ করে তার অন্তর তখন পরিষ্কার ও দাগমুক্ত হয়ে যায়। সে আবার পাপ করলে তার অন্তরে দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তার পুরো অন্তর এভাবে কালো দাগে ঢেকে যায়। এটাই সেই মরিচা আল্লাহ তা’আলা যার বর্ণনা করেছেন, কখনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের মনে জং (মরিচা) ধরিয়েছে— (সূরা মুত্বাফফিফীন ১৪)। (তিরমিযী ৩৫৭ ইবনু মাজাহ ৪২৩৪)

    — এগুলো নিয়মিত দেখার ফলে যৌনশক্তি নষ্ট হয়ে যায়।

    — পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্ক সব সময় নারীর দেহ নিয়ে চিন্তা করে ফলে তার ব্রেনের স্বাভাবিক প্রখরতা নষ্ট হয়ে যায়। ডিপ্রেশন তৈরী করে।

    — পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলে। দুনিয়ার আর কোন চিন্তা তার মাথায় থাকে না পর্ণগ্রাফি ছাড়া। ফলে তার স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়। অন্য দশটা মানুষের মত সে আর স্বাভাবিক থাকতে পারে না।

    — পর্ণগ্রাফি আসক্ত ব্যক্তির স্বাভাবিক রুচিবোধ নষ্ট হয়ে যায়। সে যেমন কুরুচিপূর্ণ দৃশ্য দেখেছে তেমনি দৃশ্য সে তার বউয়ের কাছ থেকে আশা করে যা কখনই কাংখিত নয়।

    — পর্ণগ্রাফি এমন নেশা যা না দেখলে ঘুম হবে না। প্রতিদিনই ইন্টারনেট ক্রয় করে তাকে এসব দেখতে হয়। তাই এটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করে।

    — সময়ের অপর নাম জীবন। সেকেন্ড, মিনিট আর ঘন্টার যোগ ফলই হলো আমাদের জীবন। সেই সময়কে আমরা হেলায় ফেলায় নষ্ট করে ফেলি। পর্ণ ছবি দেখার পর নিজের খায়েশ মিটে গেলে মনে হয় কেন আমি এই জিনিসটা দেখলাম আমার সময়টা নষ্ট হলো। কিন্তু তখন আর কিছুই করার থাকে না। সময় হলো এমন এক ধারালো তলোয়ার যদি আপনি তাকে সময় মতো কাটাতে না পারেন তবে সে নিশ্চিত আপনাকে কেটে ফেলবে।

    — এ যদি এ ধরণের পাপ ফাঁস হয়ে যায় তাহলে তার এমন দুর্নাম হয় যে এতে তার ভাল গুণগুলোও ঢাকা পড়ে যায়। মানুষের কাছে তখন শুধু এ দুর্নামগুলোই আলোচিত হয়।

    — যে চোখ দিয়ে আপনি নারীর দেহ দেখবেন সেই চোখ দিয়ে কখনো আল্লাহর ভয়ে পানি বের হবে না। কারণ আপনার অন্তর মরে যাবে। কোন ইবাদতেই আপনি মজা পাবেন না।

    সুতরাং সময় থাকতে নিজেকে বাঁচাতে চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, আপনি একা ঘরে কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনের সামনে বসে যা করছেন তা আর কেউ না দেখলেও আল্লাহ্‌ দেখছেন, আর ফেরেশতারা তা লিখে রাখছে এক পরিষ্কার গ্রন্থে। আল্লাহ্‌ যদি এখনো আপনার কুকর্ম মানুষের সামনে প্রকাশ না করে দিয়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন আপনাকে আল্লাহ্‌ তাওবা করার জন্য সুযোগ দিচ্ছেন। আপনি যদি তাওবা না করে মারা যান, তাহলে এই গ্রন্থের সবকিছু একদিন আপনার সামনে তুলে ধরা হবে, আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান, বন্ধু সবাই আপনার আমলনামা দেখতে পাবে। নিজেকে প্রশ্ন করুন, সেদিনের সেই লজ্জার সম্মুখীন কি আপনি হতে পারবেন?

    এ জঘন্য হারাম থেকে তাওবা করার জন্য কোন ক্রমধারা অবলম্বনের প্রয়োজন নেই। এ ধরণের চিন্তা হতে পারে শয়তানের ধোঁকা। বরং একজন মুমিন যখনই জানবে এটি হারাম তখনই তার সামনে এটি ত্যাগ করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,

    وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْراً أَنْ يَكُونَ لَهُمْ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلالاً مُبِيناً

    আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত দিলে কোন মুমিন পুরুষ কিংবা মুমিন নারীর জন্য সে বিষয়ে তাদের কোন (ভিন্ন সিদ্ধান্তের) ইখতিয়ার সংগত নয়। আর যে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টভাবে পথভ্রষ্ট হলো। (সূরা আহ্‌যাব ৩৬)

    আমরা আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাকে তাওবা করার তাওফিক দেন এবং আপনার তাওবা কবুল করেন।

    দুই. নিয়মিত নামায আদায় করুন এবং আল্লাহ্‌র কাছে মুনাজাত করে, তাঁকে স্মরণ করে, তাঁর কিতাব তেলাওয়াত করে স্বাদ অনুভব করুন। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,

    اتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ وَأَقِمِ الصَّلَاةَ إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ

    আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর। (সূরা আনকাবুত ৪৫)

    একবার সাহাবারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলল, অমুক সাহাবী বিভিন্ন ধরনের খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, সে কি এখনো নামাজ পড়ে? সবাই বলল, হ্যাঁ, পড়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, সে যদি নামাজ পড়তে থাকে তাহলে নামাজ তাকে অবশ্যই একদিন খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। (মুসনাদে আহমাদ ২/৪৪৭)

    তিন. একাকী থাকবেন না। বিশেষ করে একাকী রাত কাটাবেন না। হাদিসে এসেছে নবী ﷺ কোন পুরুষকে একাকী রাত কাটাতে নিষেধ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ ২/৯১)

    ঘুমানোর সময় ইসলামী আদবগুলো মেনে চলুন। যেমন ঘুমানোর দোয়াগুলো পড়া, ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শোয়া, পেটের উপর ভর দিয়ে না-ঘুমানো; যেহেতু এ সম্পর্কে নবী ﷺ-এর নিষেধ আছে।

    পাশাপাশি নবী নবী ﷺ-এর নির্দেশিত প্রতিকার পদ্ধতি গ্রহণ করুন। সেটা হচ্ছে– রোযা রাখা। কেননা রোযা যৌন চাহিদাকে পরিশীলিত করে।

    আরও বেশি জানতে পড়ুন–গোপন গুনাহর চিকিৎসা ও কুদৃষ্টি এবং পড়ুন– জিজ্ঞাসা নং–১২৪, জিজ্ঞাসা নং–১০৮ ও জিজ্ঞাসা নং- ৮২৪।

    والله اعلم بالصواب
    উত্তর দিয়েছেন
    শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী

    See less
      • 3
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: May 26, 2022In: Basic Islam

    Watching Cartoon Animated Movie

    Admin
    Admin Explainer
    Added an answer on May 26, 2022 at 10:32 am

    https://www.youtube.com/watch?v=8xpGxh2Ygg0

    See less
      • 0
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 171
  • Answers 336
  • Best Answers 24
  • Users 305
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 25 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 9 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 12 Answers
  • Tasin
    Tasin added an answer I totally understand your frustration — it’s really hard when… May 28, 2025 at 5:53 am
  • Tasin
    Tasin added an answer First of all, I’m really proud of you for trying.… May 28, 2025 at 5:51 am
  • Tasin
    Tasin added an answer Brother, when it comes to dreams, Islam gives us some… May 28, 2025 at 5:46 am

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 176 Points
Explainer
Tasin

Tasin

  • 0 Questions
  • 115 Points
Pro
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 0 Questions
  • 47 Points
Begginer

Trending Tags

asr bio conversion convert custom printed gazebo islam life style oztrail printed gazebo roofs poll prayer question questions জামাতে নামাজ তারাবি তাহাজ্জুদ নামাজ বিয়ে মহিলা রোজা সালাত

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.