Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.
Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.
Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
মোনাজাত
নামাযের পর বা ফরজ নামাযের জামা‘আতের পর কোন প্রকার বাড়াবাড়ি ব্যতিরেকে আমাদের দেশে যে মুনাজাত প্রচলিত আছে, তা মুস্তাহাব আমল; বিদ‘আত নয়। কারণ-বিদ‘আত বলা হয় ঐ আমলকে, শরী‘আতে যার কোন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ উক্ত “মুনাজাত” বহু নির্ভরযোগ্য রিওয়ায়াত দ্বারা সুপ্রমাণিত। এ ব্যাপারে নবী কারীম সাল্লাল্লাহRead more
নামাযের পর বা ফরজ নামাযের জামা‘আতের পর কোন প্রকার বাড়াবাড়ি ব্যতিরেকে আমাদের দেশে যে মুনাজাত প্রচলিত আছে, তা মুস্তাহাব আমল; বিদ‘আত নয়। কারণ-বিদ‘আত বলা হয় ঐ আমলকে, শরী‘আতে যার কোন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ উক্ত “মুনাজাত” বহু নির্ভরযোগ্য রিওয়ায়াত দ্বারা সুপ্রমাণিত। এ ব্যাপারে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আমল ও নির্দেশ বিদ্যমান। তাই যারা মুনাজাতকে একেবারেই অস্বীকার করে, তারাও ভুলের মধ্যে রয়েছে।আবার যারা ইমাম-মুক্তাদীর সম্মিলিত মুনাজাতকে সর্বাবস্থায় বিদ‘আত বলে, তাদের দাবীও ভিত্তিহীন এবং মুনাজাতকে যারা জরুরী মনে করে, এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে এবং কেউ না করলে তাকে কটাক্ষ করে, গালী দেয় তারাও ভুলের মধ্যে আছে।
See lessইমামের পিছনে তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে কি শুধু সূরা ফাতিহা পড়তে হয় নাকি তার সাথে অন্য সূরা মিলাতে হয়?
See this question: Click to view:
See this question: Click to view:
See lessQuran Majid with English translations
Go to library of DEEN islamic App (in english version). Then open Quran Meaning by Prince Fahd Quran Printing Ltd.
Go to library of DEEN islamic App (in english version). Then open Quran Meaning by Prince Fahd Quran Printing Ltd.
See lessনামাজ
ইমামের পিছনে পরলে আপনাকে কোন সুরা পড়তে হবে না। যদি একা পড়েন তাহলে সুরা পড়বেন। ফরয নামাযের ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা পড়বেন। অন্য সুরা পড়া যাবে না। কিন্তু ফরয নামায ব্যতীত অন্য সকল নামাযের ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলিয়ে পড়তে হবে। আর অন্য যেকোনো সুরার ক্ষেত্রে কুরআন মাজীদেরRead more
ইমামের পিছনে পরলে আপনাকে কোন সুরা পড়তে হবে না। যদি একা পড়েন তাহলে সুরা পড়বেন।
ফরয নামাযের ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা পড়বেন। অন্য সুরা পড়া যাবে না। কিন্তু ফরয নামায ব্যতীত অন্য সকল নামাযের ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলিয়ে পড়তে হবে। আর অন্য যেকোনো সুরার ক্ষেত্রে কুরআন মাজীদের ক্রম অনুসারে সুরা পড়বেন। অন্যথায় সুন্নাহর খেলাপ হবে। যেমনঃ ১ম রাকাতে সুরা ফালাক পড়লে,২য় রাকাতে অবশ্যই সুরা নাস পড়তে হবে। সুরা ফালাকের আগের সুরা যেমন সুরা ইখলাস,সুরা আসর, সুরা কাফিরুন ইত্যাদি পড়া যাবে না। আর সুরার এই ক্রম ঠিক করে নামায পড়তে হবে যা সকল নামাযের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
আবু কতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) জোহর এবং আসরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা ও আরেকটি সুরা পড়তেন। আর শেষ দুই রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়তেন।
’ (বুখারি, হাদিস নং: ৭৫৯; মুসলিম, হাদিস নং: ৪৫১; তবে মুসলিম শরিফের ৪৫২ নং হাদিসে রাসুল (সা.) থেকে ভিন্ন আমলের প্রমাণ পাওয়া যায়। )
See lessসালাতের সময় মেয়েদের পা রাখার নিয়ম
সৃষ্টিগতভাবে নারী-পুরুষের দৈহিক সুস্পষ্ট কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। সৃষ্টিগত এ পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন কাজের বিষয়ে ইসলাম নারী-পুরুষের বিধানেও কিছু পার্থক্য রেখেছে। যেহেতু দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করে নামাজ আদায় করতে হয় সেহেতু নারী-পুরুষের নামাজের বিধানেও রয়েছে বেশ কিছু পার্থক্য। আর সব পারRead more
সৃষ্টিগতভাবে নারী-পুরুষের দৈহিক সুস্পষ্ট কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। সৃষ্টিগত এ পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন কাজের বিষয়ে ইসলাম নারী-পুরুষের বিধানেও কিছু পার্থক্য রেখেছে।
যেহেতু দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করে নামাজ আদায় করতে হয় সেহেতু নারী-পুরুষের নামাজের বিধানেও রয়েছে বেশ কিছু পার্থক্য। আর সব পার্থক্যের ভিত্তি হচ্ছে পর্দা.
পুরুষ-মহিলাদের নামাজের এ পার্থক্য নতুন নয়। বরং নবী, সাহাবা ও তাবেয়িদের যুগ থেকেই এ পার্থক্য চলে আসছে। পরবর্তীতে চার ইমামের সবাই মহিলাদের নামাজের পার্থক্য মেনে নিয়েছেন। তাদের কেউই এ পার্থক্যকে অস্বীকার করেননি অথবা এ কথা দাবি করেননি যে, মহিলাদের নামাজে কোনো পার্থক্য নেই। তারা হুবহু পুরুষদের মতো নামাজ পড়বে।
মহিলাদের নামাজের প্রথম পার্থক্য হচ্ছে নামাজের স্থানে। পুরুষ মসজিদে নামাজ আদায় করলে নেকি বেশি পাবে। কিন্তু মহিলাদের জন্য মসজিদের জামাতে উপস্থিত হওয়ার চেয়ে নিজের বসবাসের কামরায় নামাজ আদায় করা বেশি ভালো।
মহিলাদের নামাজের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য নামাজের পোশাকে। হিজাব বা বড় ওড়না ছাড়া মহিলাদের নামাজ হবে না।
নামাজ আদায়ের পদ্ধতিতেও রয়েছে কয়েকটি পার্থক্য। যথা-
১. মহিলারা আজান-ইকামত ছাড়া নামাজ পড়বে।
২. শব্দ করে সূরা-তাকবির বলবে না, বরং নিঃশব্দে পড়বে।
৩. নামাজের শুরুতে হাত উঠানোর সময় মহিলারা দুই হাত ওড়নার বাইরে বের করবে না।
৪. হাত উঠানোর সময় কাঁধের ওপরে উঠাবে না।
৫. বুকের ওপর হাত বাঁধবে।
৬. ডান হাত দিয়ে বাম হাত জড়িয়ে ধরবে না বরং বাম হাতের পিঠের ওপর ডান হাত রেখে দেবে।
৭. রুকুতে সম্পূর্ণ নত হবে না। বরং সামান্য নত হবে, হাত হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছবে।
৮. রুকুতে হাতের আঙ্গুলগুলো ফাঁক করে হাঁটু ধরবে না বরং আঙ্গুলগুলো পরস্পর মিলিতভাবে হাঁটুর ওপর রেখে দেবে।
৯. জড়োসড়ো হয়ে সিজদা করবে। কোমর উঁচু করে রেখে সিজদা করবে না।
১০. সিজদাতে পেট উরুর সঙ্গে লাগিয়ে রাখবে। কনুই মাটিতে বিছিয়ে রাখবে। বাহু শরীরের সঙ্গে লেগে থাকবে। হাঁটুর কাছাকাছি সিজদা করবে। দু’পা ডান দিকে বের করা থাকবে।
৭. বসার সময়ও দুই পা ডান দিকে বের করে দিবে এবং নিতম্বের ওপর বসবে।
নারী-পুরুষের নামাজের মধ্যকার এই পার্থক্যসমূহ হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস, সাহাবা ও তাবেয়িদের উক্তি এবং আমল দ্বারা প্রমাণিত।
প্রমাণসহ পার্থক্যগুলো পর্যালোচনা করতে গেলে কলেবর অনেক বড় হবে- বিধায় এখানে সংক্ষেপে শুধু বিষয়গুলো উল্লেখ করা হলো। নিকটতম সময়ের ইসলামি স্কলারদের অনেকেই মহিলাদের নামাজের পার্থক্যের ওপর প্রমাণসমৃদ্ধ গ্রন্থ সংকলন করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য সেগুলো দেখা যেতে পারে।
See lessকেন দোয়া কুনুত পড়া হয়?
আল্লাহ তাআলার পছন্দনীয় ইবাদতের মধ্যে অন্যতম হলো দোয়া। হাদিসের ভাষায় দোয়া-ই হলো ইবাদত। আবার ইবাদতের মূল হলো দোয়া বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে। বিতর নামাজের যে দোয়া পড়া হয় তা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত। মানুষ বিতর নামাজের দোয়া কুনুতে কি পড়ে? কেনই বা দোয়া কুনুত পড়া হয়? এ দোয়া পড়ার উদ্দেশ্যই বা কী? অনেক অরRead more
আল্লাহ তাআলার পছন্দনীয় ইবাদতের মধ্যে অন্যতম হলো দোয়া। হাদিসের ভাষায় দোয়া-ই হলো ইবাদত। আবার ইবাদতের মূল হলো দোয়া বলেও হাদিসে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিতর নামাজের যে দোয়া পড়া হয় তা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত। মানুষ বিতর নামাজের দোয়া কুনুতে কি পড়ে? কেনই বা দোয়া কুনুত পড়া হয়? এ দোয়া পড়ার উদ্দেশ্যই বা কী?
অনেক অর্থসমৃদ্ধ একটি শব্দ কুনুত। এ শব্দ দ্বারা নিরবতা, সালাত, কিয়াম ও ইবাদত ইত্যাদি বুঝায়। এখানে উদ্দশ্য হলো নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
মানুষ যখন বিপদ ও মুসিবতে পড়ে তখনই এ দোয়া করে থাকে। বিতরের নামাজের তৃতীয় রাকাআতে সুরা ফাতেহা পড়ে অন্য সুরা মেলানোর পর তাকবিরের মাধ্যমে এ দোয়া পড়তে হয়।
হাদিসে পাকে একাধিক দোয়া কুনুত রয়েছে। তবে বিখ্যাত সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিভিন্ন বর্ণনার আলোকে বর্ণিত দোয়া কুনুতটি হলো-
اللّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ، اللّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ.
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতায়িনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা ওয়া নুমিনুবিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইরা ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাতরুকু মাইয়্যাফঝুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা নাবুদু, ওয়া লাকা নুসাল্লি ওয়া নাসঝুদু, ওয়া ইলাইকা নাসআ ওয়া নাহফিদু, নারঝু রাহমাতাকা ও নাখশা আজাবাকা, ইন্না আজাবাকা বিল-কুফ্ফারি মুলহিক্ব।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমরা তোমারই সাহায্য চাই। তোমার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি। তোমার ওপর ঈমান আনি। তোমার ওপরই ভরসা করি। আর তোমার প্রশংসা করি। আমরা তোমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। অকৃতজ্ঞ হই না। যে তোমার নাফরমানী করে, আমরা তাকে ত্যাগ করি, বর্জন করি।
হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি, তোমারই জন্য নামাজ পড়ি এবং সেজদা করি। তোমারই দিকে ধাবিত হই এবং তোমারই আনুগত্য করি। তোমার রহমতের আশা রাখি আর তোমার আজাবকে ভয় করি। নিশ্চয়ই তোমার আজাব কাফেরদের ধরে ফেলবে।’
দোয়া কুনুতে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগানের সঙ্গে তার কাছে দুনিয়া ও পরকালের একান্ত কল্যাণ কামনা করে মানুষ। যা দোয়া কুনুত হিসেবে পরিচিত।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দোয়া কুনুত যথাযথভাবে পড়ার এবং দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
See lessমুক্ব্তাদির রহমান নাম রাখা যায় কি?
যেসব নাম রাখা মাকরুহ - এক: এমন শব্দে দিয়ে নাম রাখা যার অনুপস্থিতিকে মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। যেমন- কারো নাম যদি হয় রাবাহ (লাভবান)। কেউ যদি রাবাহকে ডাকে, আর রাবাহ বাড়ীতে না-থাকে তখন বাড়ীর লোকদেরকে বলতে হবে রাবাহ বাড়ীতে নেই। এ ধরনের বলাকে সাধারণ মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। অনুরূপভাবে আফলাহ (সফলকাম), নাজাহ (সRead more
যেসব নাম রাখা মাকরুহ –
এক: এমন শব্দে দিয়ে নাম রাখা যার অনুপস্থিতিকে মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। যেমন- কারো নাম যদি হয় রাবাহ (লাভবান)। কেউ যদি রাবাহকে ডাকে, আর রাবাহ বাড়ীতে না-থাকে তখন বাড়ীর লোকদেরকে বলতে হবে রাবাহ বাড়ীতে নেই। এ ধরনের বলাকে সাধারণ মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। অনুরূপভাবে আফলাহ (সফলকাম), নাজাহ (সফলতা) ইত্যাদির নামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ধরনের নাম রাখতে নিষেধ করেছেন। পরবর্তীতে নিষেধ না করে চুপ থেকেছেন।[1]
দুই: যেসব নামের মধ্যে আত্মস্তুতি আছে সেসব নাম রাখা মাকরুহ। যেমন, মুবারক (বরকতময়) যেন সে ব্যক্তি নিজে দাবী করছেন যে তিনি বরকতময়, হতে পারে প্রকৃত অবস্থা সম্পূর্ণ উল্টো। অনুরূপভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলা সাহাবীর নাম বার্রা (পূন্যবতী) থেকে পরিবর্তন করে তার নাম দেন যয়নব। এবং বলেন: “তোমরা আত্মস্তুতি করো না। আল্লাহই জানেন কে পূন্যবান।”[2]
তিন: দাম্ভিক ও অহংকারী শাসকদের নামে নাম রাখা। যেমন- ফেরাউন, হামান, কারুন, ওয়ালিদ। শয়তানের নামে নাম রাখা। যেমন- ইবলিস, ওয়ালহান, আজদা, খিনজিব, হাব্বাব ইত্যাদি। [3]
চার: যে সকল নামের অর্থ মন্দ। মানুষের স্বাভাবিক রুচিবোধ যেসব শব্দকে নাম হিসেবে ঘৃণা করে; ভদ্রতা ও শালীনতার পরিপন্থী কোন শব্দকে নাম বা কুনিয়ত হিসেবে গ্রহণ করা। যেমন, কালব (কুকুর) মুররা (তিক্ত) হারব (যুদ্ধ)।[4]
পাঁচ: একদল আলেম কুরআন শরীফের মধ্যে আগত অস্পষ্ট শব্দগুলোর নামে নাম রাখাকে অপছন্দ করেছেন। যেমন- ত্বহা, ইয়াসীন, হামীম ইত্যাদি।[5]
ছয়: দ্বৈতশব্দে নাম রাখাকে শায়খ বকর আবু যায়দ মাকরুহ বলে উল্লেখ করেছেন।[6] যেমন- মোহাম্মদ আহমাদ, মোহাম্মদ সাঈদ। কারণ এতে করে কোনটি ব্যক্তির নিজের নাম ও কোনটি ব্যক্তির পিতার নাম এ বিষয়ে জটিলতা তৈরী হতে পারে এবং দ্বৈতশব্দে নাম রাখা সলফে সালেহীনদের আদর্শ নয়। এতদ অঞ্চলে মুসলিমদের নামকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নাম থেকে চিহ্ণিত করার নিমিত্তে “শ্রী” শব্দের পরিবর্তে “মুহাম্মদ” লেখার প্রচলন সে প্রেক্ষাপটে শুরু হয়েছিল সে প্রেক্ষাপট এখন অনুপস্থিত। তাই মুসলিম শিশুর নামের পূর্বে অতিরিক্ত মুহাম্মদ শব্দ যুক্ত করার কোন প্রয়োজনীয়তা বর্তমানে নেই।
সাত: অনুরূপভাবে আল্লাহর সাথে আব্দ (দাস) শব্দ বাদে অন্য কোন শব্দকে সম্বন্ধিত করা। যেমন- রহমত উল্ল্যাহ (আল্লাহর রহমত)। শায়খ বকর আবু যায়দের মতে রাসূল শব্দের সাথে কোন শব্দকে সম্বন্ধিত করে নাম রাখাও মাকরূহ।[7] যেমন- গোলাম রাসূল (গোলাম শব্দটিকে যদি আরবী শব্দ হিসেবে ধরা হয় এর অর্থ হবে রাসূলের চাকর বা বাছা তখন এটি মাকরূহ। আর যেসব ভাষায় গোলাম শব্দটি দাস অর্থে ব্যবহৃত হয় সেসব ভাষার শব্দ হিসেবে নাম রাখা হয় তখন এ ধরনের নাম রাখা হারাম যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।)
[1]. আল-মাওসুআ আলফিকহিয়া আলকুয়েতিয়া, পৃষ্ঠা-১১/৩৩৩ ।
[2]. সহীহ মুসলিম, হাদিস নং – ২১৪২।
[3]. মাতালেবু উলিন্নুহা, পৃষ্ঠা- ২/৪৯৪ ও ইবনুল কাইয়্যেম, তুহফাতুল মাওদুদ, পৃষ্ঠা-১/ ১১৮ ।
[4]. আল-মাওসুআ আল্ফিকহিয়া আলকুয়েতিয়া, পৃষ্ঠা-১১/৩৩৪ ও শারহুল আযকার, পৃষ্ঠা- ৬/১১১।
[5]. বকর আবু যায়দ, তাসমিয়াতুল মাওলুদ, পৃষ্ঠা- ১/২৭।
[6]. বকর আবু যায়দ, তাসমিয়াতুল মাওলুদ, পৃষ্ঠা- ১/২৭।
[7]. তাসমিয়াতুল মাওলুদ, পৃষ্ঠা- ২৬।
See less